খেয়াঘাটকে কেন্দ্র করে এক যুবকের দুইটি পা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ চরভাটপাড়া গ্রামে গত সোমবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায়।
পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে।
জানাগেছে, কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ চরভাটপাড়া খেয়াঘাট (ইতনা খেয়াঘাট) ও ঘাটের ইজারা কে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিনযাবত স্থানীয় ভাবে দুই গ্রুপের মধ্য দ্বন্ধ চলে আসছিলো।প্রত্যক্ষ্যদর্শী সূত্রে জনাগেছে, খাস কালেকশন পক্ষের লোক হিসাবে দক্ষিণ চরভাটপাড়া গ্রামের মোঃ উতারউদ্দিন মোল্যার ছেলে মোঃ খায়রুল মোল্যা (২৯) ঘাটে তদারকী করছিলো। এ সময়ে ওই গ্রামের পাচু শিকদারের ছেলে-মোঃ লায়েক শিকদার (৩৫),ভাই শাহজান শিকদার (৩০),মুসা মোল্যার ছেলে মোঃ ইলিয়াস (৩০),মোঃ আলী খানের ছেলে মোঃ উজির খানঁ (৩৫), মালেক খানের ছেলে মোঃ বিলাশ খান (৩৪) মোঃ লিখন খানের ছেলে মোঃ মেহেদী খান (৩৭), মৃত-ওদুত খানের ছেলে মোঃ আহাদ খান সহ তাদের লোকজন লোহার রড,লোহার হাতুড়ী দিয়ে তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মোঃ খায়রুলের দুটি পায়ের হাড়ই হাতুড়ি পিটা করে ভেঙ্গে ফেলে। হামলাকারীরা খায়রুলকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী ১০০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে দ্রæত খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত মোঃ আহাদ খান (৩৪) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, চলতি অর্থ বছরে কেউ বছর ভিত্তিক ইজারা আনতে পারেনি। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, পূর্বের ইজারা মূল্যের অনেক নিচে ডাক (উঠার) থাকার কারণে খেয়াঘাটটি ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই স্থানীয় লোকজনদের দিয়ে খাস কালেকশন করা হচ্ছে।
এলাকার এ প্রতিবেদককে স্থানীয়রা জানায়, ১৯৭৫ সালের পরে এই গ্রামে মোট আটজন মানুষ খুন হয়েছে। তাই এই ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনা উচিৎ বলে মনে করে অভিজ্ঞ মহল ।
Leave a Reply