1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
‎হরিরামপুরে ইছামতি নদীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, দুই তীরে হাজারো মানুষের ঢল - দৈনিক আমার সময়

‎হরিরামপুরে ইছামতি নদীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, দুই তীরে হাজারো মানুষের ঢল

সোহেল রানা
    প্রকাশিত : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতি নদীতে কাঞ্চনপুর ও বাল্লা ইউনিয়নের এলাকাবাসীর আয়োজনে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎

‎৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় সাতটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী নৌকাগুলোর মধ্যে হল, ঘিওর উপজেলার নকিববাড়ি, দিয়াইলের ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ, সোনারচান-২, গায়ান বাড়ি, গায়ান তরী, হাজারি তরীসহ অন্যান্যরা অংশ নেয়।

‎

উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন কুশিয়ারচর এলাকা থেকে বাল্লা ইউনিয়নের খেরুপাড়া ঘাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার অধিক দৈর্ঘ্যের বাইচের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। বাইচে প্রত্যন্ত গ্রামের ছোট বড় ৭টি ঘাসি ও খেল্লা নৌকা অংশ নেয়। প্রায় এক যুগ পর এই এলাকায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 

‎বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে এই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।

‎দুপুর থেকেই নদীর দুই পাড়ে নানা বর্ণে ও বিচিত্র সাজে সজ্জিত নৌকা ও মাল্লার বাইচ শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। পুরো সময়জুড়ে ঠিকারি ও কাঁশির বাদ্যের তালে নেচে-গেয়ে, হেইও হেইও রবে এক অনবদ্য আবহ সৃষ্টি হয়। নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের করতালি ও হর্ষধ্বনিতে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। নৌকা বাইচে ইঞ্জিন চালিত টলারসহ বিভিন্ন যানবাহনে দূর দূরান্ত থেকে আসা প্রায় লক্ষাদিক দর্শনার্থী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করেন।

‎

‎পুরস্কার বিতরণীকালে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ জালান, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য নৌকা বাইচ। আজ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই নৌকা বাইচ উপভোগ করছে না। এটি আমাদের বাংলার ঐতিহ্য। আমাদের বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় আজকের এই নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

‎

‎কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মুসা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর পরে আমাদের এলাকায় ইছামতি নদীতে আজ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হলো। এতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই নৌকা বাইচ উপভোগ করে। এটি আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি। এটি যেন আগামীতে অব্যাহত থাকে আমরা সেভাবে চেষ্টা করে যাব।

‎

‎পুরস্কার বিতরণের সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার হিতোষী ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

‎

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com