শেগুপ্তার ডানে বামে এরা ২ জন খলিফার দায়ীত্ব পালনেই যেনো সদা সচেষ্ট !
মামুন, সোলাইমানের কর্মপরিকল্পনায় চলেন অথোরাইজ অফিসার, এমন খবর এখন রাজউকে চাউর হয়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সূত্র বলছে, রাজউকের ইমারত পরিদর্শক ও অথোরাইজ অফিসারদের ঘুষ বাণিজ্যের অপকৌশল এখন নোটিশ বাণিজ্যে। নির্মাণাধীন ভবন মালিকদেরকে রাজউকের নোটিশের মাধ্যমে ডেকে এনে ঘুষ বাণিজ্যের নিয়মিত মাধ্যম হিসেবে ব্যাবহার করছেন রাজউকের নোটিশকে। ভবন নির্মান বিধিমালার ব্যাতিক্রম দেখিয়ে ভবন নির্মাণাধীন একক মালিক কিংবা ডেভেলপার কোম্পানির মালিকদেরকে রাজউকের নোটিশের মাধ্যমে অফিসে ডেকে এনে অনিয়মকে মৌখিক নিয়মের ছাড়পত্র দেবার আশ্বাস দিয়ে ঘুষ লেনদেন যেন এখন নিয়মে পরিনত হয়ে দাড়ীয়েছে।
কোনো কোনো অফিসার মোটা অংকের টাকার অবৈধ লেনদেন ছাড়া কোনো বৈধ ফাইলেও সই করেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তদন্তে এমনসব অসাধু কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরীর এক নীলনকশা বাস্তবায়নে রাজউক জোন-৩/২এর অথোরাইজ অফিসার শেগুপ্তা শারমিন এর নাম উঠে এসেছে। শেগুপ্তা শারমিন তার কর্তৃত্বকে জোরদার করার জন্য তৈরী করেছেন একাধিক সদস্য বিশিষ্ট শক্তিশালী সিন্ডিকেট আর এই সিন্ডিকেটের মূল চালিকা শক্তির হাতিয়ারই হচ্ছে সহকারী অথোরাইজ অফিসার মামুন আর পরিদর্শক সোলাইমান ।
মামুন আর সোলাইমানকে দিয়েই তিনি তার অবৈধ আয়ের পথকে শুগম করেছেন। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে গতশনিবার (২১/০৯/২০২৪) অফিস ছুটির দিনে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ইবরাহীমপুর, মিরপুর -১০ সহ বিভিন্ন এলাকার সাইটগুলো ভিজিট করা এবং রাজউকের ভবন নির্মানের বিধিমালার ত্রুটি বিচ্চুতির কারনে পূর্বের করা নোটিশকৃত ভবনগুলোতে ঢু মেরে ভবন মালিকদের সাথে আলাপ পরিচয় সেরে আসার কারনে। যা যে, কোনো অথোরাইজ অফিসারের জন্য আইনের পরিপন্থী বলে মনে করেন ঐ সব ভবন মালিকেরা।
কারো কারো অভিযোগ আবার অবৈধ লেনদেনেরও ইঙ্গিত বহন করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, শেগুপ্তা শারমিন একজন সিনিয়র অফিসার কিন্তু তার এমন কাজকর্ম আমাদেরকেও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়, কারন একজন রাজউকের অথোরাইজ অফিসার প্রতিদিন তার মনোনীত পরিদর্শকদেরকে নিয়ে সাইট ভিজিটে যাবে এবং নির্মাণাধীন ভবন মালিকদের সাথে তাদের যোগসাজ করিয়ে দেওয়াটা এবং দফারফা করার পরামর্শ দেওয়া এটা একেবারেই কাম্য নয়। অন্য অফিসারদেরকে বাহিরে রেখে শুধু সহকারী অথোরাইজ অফিসার মামুন এবং পরিদর্শক সোলাইমানকে নিয়ে ভবন ও ডেভেলপার কোম্পানির মালিকদের সাথে কথা বলাটা অন্য অফিসারদের কাছে দৃষ্টকটু বলে মনে হয়।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, তিনি অফিস কলিগদেরকে কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন যে, তার মোবাইল নম্বর যেনো কাউকে দেওয়া না হয়, কিন্তু তার অফিসে ব্যাবহার করা মোবাইল নাম্বারটি প্রায়শই ইনকামিং বন্ধ করে রাখা হয় যার ফলে বাহিরের কেউ ফোন করে তাকে পায় না।
আর এসব পরামর্শ তার খলিফারাই তাকে দিয়ে থাকেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো এক কর্মকর্তা
এ বিষয়ে জানতে অথোরাইজ অফিসার শেগুপ্তা ও সহকারী অথোরাইজে মামুনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে চাইলে তারা বার বার ফোন কেটে দেন।
(চলবে)
Leave a Reply