দুদকে অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা, পশ্চিম মালিবাগ ও হাতিরঝিল এলাকায় দায়ীত্বরত অবস্থায় ওই এলাকায় ভবন নির্মাণাধীন, মালিকানা, যৌথ মালিকানা ও ডেভেলপার কোম্পানির থেকে রাজউক কর্তৃক নোটিশ প্রদান বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
হাতিরঝিল এলাকার রাস্তাগুলি যথাযথ প্রসস্ত না থাকায় সেখানে রাজউক ৫/৬ তলার বেশী অনুমোদন না দিলেও পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তা অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে মৌখিক অনুমোদন দিয়ে বৃদ্ধি করে দিয়েছেন আরো ১/২ ফ্লোর নির্মানের সুযোগ , আবার কেউ তার অনুমিত ছাড়া এমন কাজ করলে তাকে নোটিশের মাধ্যমে ডেকে এনে বর্ধিত অংশ ভেঙে অপসারণ করার ভয় দেখিয় আদায় করেছেন ৮ থেকে ২০ লক্ষ টাকা।হাতিরঝিলের ওয়াপদা রোডের ১৫৪/৮,১৪৫/২,৬৩২ নং ঝিল কাননের ভবন মালিকগণ তার বাস্তব স্বাক্ষি।
২০২২ সালে, জোন-৭ এ কর্মরত অবস্থায়, দুর্নিতীর দায়ে তাকে তৎকালীন রাজউক চেয়ারম্যান বরখাস্ত ও করেছিলেন কিন্তু টাকার বিনিময়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তার সুনজর কেড়ে নিয়ে আবারো বহালতবিয়ত হ’ন এই ধুর্ত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।
বর্তমান কর্মস্থান রাজউক জোন-৬/১ এলাকায়ও তার দুর্নিতীর নজির ভুড়ি ভুড়ি, বলে উক্ত অভিযোগে উল্লেখ করেন শেখ নাসির।
এ বিষয়ে পরিদর্শক সাইফুলের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে, মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেন।
Leave a Reply