এসব ঘুষ বাণিজ্য আর দুর্নিতীর কারনে ভবন নির্মাতাদের অনিয়ম তদন্তে” আমার সময়ের” এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে বেশ কিছু প্রমানসহ তথ্য।
মিরপুর অঞ্চলে রাজউকের ভবন নির্মানের নিতীমালা মানা হয়নি অধিকাংশ মালিকানা বা ডেভেলপার কোম্পানির নির্মিত বা নির্মাণাধীন ভবনে, তার মধ্যে ডেভিয়েশন, রাস্তার প্রশস্ততা, ভবনের ইনডোর আউটডোরের অবকাঠামোর ব্যাতিক্রম করা হয়েছে বিভিন্ন ভবনে, আবার রাজউকের প্ল্যান অমান্য করে আবাসিককে করেছেন বাণিজ্যিক ভবন, এমনসব অভিযোগ সহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
এমনকি কেউ কেউ আবার রাজউকের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মান করেছেন বহুতল ভবন।
রাজউকের নকশা বহির্ভূত বাড়ী নির্মানের বিরুদ্ধে নোটিশ করলেও তা অদৃশ্য কারনে বিলুপ্ত হয়ে যায় অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে, এমন সব অভিযোগ,দুর্নীতি আর অনিয়ম নিয়ে রাজউক জোন – ৩/ ১ এলাকার পরিদর্শক শফিকের বক্তব্য নিতে অফিসে গিয়ে না পেয়ে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে রাজউকের উচ্ছেদকৃত ভবনগুলোতে পূর্বের স্ট্রাক্সারেই স্বাভাবিক ভাবে ভবন নির্মানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের বৈশ্বিক অরাজকতার দোহাই দিয়ে বলেন যে, সারা দেশের অরাজকতার কারনে আপনার অভিযোগের ভবনগুলোতে যাওয়া হয়নি।
Leave a Reply