মাত্র কয়েক দিন আগেও একমাত্র ছেলে মারুফকে নিয়ে গর্বের কথা বলেছিলেন বাবা মিয়াজ উদ্দিন। মারুফ মোবাইল ইঞ্জিনিয়ার হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি মোবাইলের দোকানে কাজে দিয়ে আনন্দে ছেলের কথা প্রতিবেশীর সাথে গর্ব করেছিলেন। আজ চারপাশে প্রতিবেশি আর স্বজনদের ভীরের মধ্যে খোঁজ নেই সেই মারুফের। বিলাপ-সান্ত্বনা কোনো কিছুই ছুঁয়ে যাচ্ছে না মিয়াজকে। তিনি একেবারে নির্বাক। চোখে পানি নেই। বাড়িতে বসে শুধু ফ্যালফ্যাল চোখে এদিক-ওদিক তাকান। কিছুতেই মনকে বুঝাতে পারছেন না তার একমাত্র সন্তান ‘মারুফ’ আজও বাসায় ফিরছেনা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরের দিকে
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গাড়ারন গ্রামের তাঁতিসুতা এলাকায় মিয়াজ উদ্দিনের নিজ বাড়িতে গিয়ে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
নিখোঁজ মারুফ হাসান (২০) উপজেলার গাড়ারণ গ্রামের তাঁতিসুতা এলাকার মিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। সে মাওনা চৌরাস্তার একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করে।
থানায় দেওয়া অভিযোগ ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত ১অক্টোবর সকালের দিকে মোবাইলের দোকানে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হয় মারুফ হাসান। সাথে ৪০ হাজার টাকা ও একটি এন্ড্রয়েট একটি মোবাইল ফোন। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সকল স্বজনদের বাড়িতে খুঁজাখুঁজি করে না পেয়ে শ্রীপুর থানায় দরখাস্ত করেন মারুফের পিতা মিয়াজ উদ্দিন।
মিয়াজ উদ্দিন বলেন,’ আজ ৬টা দিন হয়ে গেলো, মারুফের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। কেউ আমার ছেলে এনে দিন, আমি আর কিছুই চাইনা। একমাত্র ছেলে আমার।’
তিনি বলেন,’ ছেলেটাকে কেউ অপহরণ করছে কিনা বুঝতে পারছিনা। কেউ ফোনও দেয়নি।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন,’ অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিভাবককে আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।’
Leave a Reply