রংপুর গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিউল আলম এবং ঠিকাদার মিঠুকে নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং প্রতিবাদ প্রকাশ করছেন।
তারা বলেন, ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে সাংবাদিক আতিকুর রহমান আতিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই নানা ধরনের উদ্দেশ্য মূলক মিথ্যা তথ্য তুলে সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
তারা আরও বলেন, আতিকুর রহমান আতিক তার পত্রিকায় নিয়মিত বিজ্ঞাপনের জন্য গণপূর্ত অফিসে আসেন এবং বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। একই পত্রিকায় বারবার বিজ্ঞাপন দেওয়ার দাবি করা হলে ডিএফপি অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য পত্রিকা বিজ্ঞাপন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পত্রিকার মধ্যে সমন্বয় ও নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, এ বিষয়কে কেন্দ্র করেই তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
এবং কিছু স্বার্থবাদী অফিসে সুবিধা গ্রহণ করতে না পারার কিছু ব্যক্তির ভুল তথ্য এবং বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে নিউজ প্রকাশ করছে বাম নেতা ও সাংবাদিক আতিকুর রহমান আতিক। যাহার কোনো সঠিক তথ্য নেই ঢালাও ভাবে নিউজ করছে উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য । আমরাও চাই সংবাদ প্রকাশে যেনো দূর্নীতি অনিয়ম তুলে ধরুক কিন্তু উদ্দেশ্য করে মিথ্যা বানোয়াট ভ্রান্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে জাতির কাছে সংবাদ পত্র ঘৃণার চোখে চলে যাবে হলুদ সাংবাদিক লাল সাংবাদিক বলে খ্যাত হবে। সাংবাদিকরা জাতির সূর্য সন্তান তারা বিপদ কে তোয়াক্কা না করে নিজের জানকে মায়া না করে মৃত্যু কে আলিঙ্গন করে কলমের মাধ্যমে সত্য কে তুলে ধরে। কিন্তু সত্য প্রকাশ হলে দেশ ও জাতি উন্নয়নে এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম। কিন্তু এই গণমাধ্যমের গুরুত্ব আছে বলেইতো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশের দূর্নীতি অনিয়ম তুলার মাধ্যমে জবাবদিহি গনতন্ত্রের রাষ্ট্রে পরিনত হবে। কিন্তু কোনো গণমাধ্যম কর্মী যদি নিজেই অনিয়ম উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য একটা অফিস দপ্তর ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভ্রান্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে তখন কতটা গ্রহণ যোগ্য হয় তা গণমাধ্যমের জন্য প্রশ্ন থেকে যায়।আমরা যদি দূর্নীতি অনিয়ম কিছু করি তাহলে গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা বটেও ঠিক হবে। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য মিথ্যা বানোয়াট ভ্রান্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে তখন আমরাও রক্তে গড়া মানুষ আমাদেরও পরিবার পরিজন আছে আমরাও সমাজে বসবাস করি তখন আমাদের ভাব মূর্তি সম্মান ক্ষুন্ন হয়।এর দ্বায় গণমাধ্যম কর্মীদের নিতে হবে। এটা গণমাধ্যম কর্মী দের বুঝতে হবে। উদ্দেশ্যমূলক ভাবে কোনো মিথ্যা তথ্য উপাত্ত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে একজন মানুষের সম্মান ক্ষুন্ন হবে এটাও ভাবতে হবে । হে সত্যের দাম আছে সত্যের ভিত্তি আছে। সত্যে মানুষের ন্যায়পরায়নতা আছে তাই সত্য তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা একান্ত সময়ের দাবি। দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তথ্য উপাত্ত বহুল নিউজ করে জবাবদীহির মধ্যে আনতে পারলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন হবে। পত্রিকার সম্পাদক দের এদিক থেকে সতর্ক হতে হবে যেনো নিউজের নামে উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য কোনো মিথ্যা বানোয়াট ভ্রান্ত সংবাদ প্রকাশ না হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেনের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই বলেও দাবি করেন তারা।এবং কয়েকটি পত্রিকায় প্রতিবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এবং ভুল তথ্য থেকে সকলকে সতর্ক থাকার আহবান করেন।
সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, রংপুর গণপূর্ত বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাযথ নিয়ম মেনে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারি দায়িত্ব পালনে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। উদ্দেশ্যমূলক ও একপেশে সংবাদে সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না করে যেকোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান তারা।
তারা বলেন, সাংবাদিকতার নামে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল নয়, বরং তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব। গণমাধ্যম কর্মীরা জাতির বিবেক। সত্য তুলে ধরা সাংবাদিকদের দ্বায়িত্ব তাই মিথ্যা বানোয়াট ভ্রান্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে ব্যক্তি অফিস অধিদপ্তরের মান ক্ষুন্ন হয়।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের সকল কার্যক্রম সেবা এবং কাজ গুলো অটিড টিম এবং প্রতিনিয়ত কাজের মান টেন্ডার সিডিউল অনুযায়ী শতভাগ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে এই গণপূর্ত বিভাগ রংপুর।
নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিউল আলম ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান শতভাগ নিশ্চিত কাজ এবং প্রতিনিয়ত কাজের মান তদারকি করাসহ অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে গণপূর্ত বিভাগ রংপুর।
এদিকে অনেক সাংবাদিক ও স্থানীয় দের কাছে জানা যায় বাম নেতা নিজেকে খুব ভালো বলে দাবি করে কিন্তু আসলে তিনি একাধিক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সর্বনাশ করছে কুড়িগ্রাম জেলে ৬ মাস কারাগারে ছিলেন নারী ধর্ষণ মামলায় বাদী ছিলেন মন্জিলা নামে এক নারী। সরকারি অফিস গুলোতে প্রতিনিয়ত বাইকে করে আলাদা আলাদা মহিলা নিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। একাধিক মেয়ের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত আছে। এবং মামলা চলমান আছে।
Leave a Reply