টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, গাবুয়া, নোয়াখালীর অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এক মতবিনিময় সভা প্রতিষ্ঠানের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। আমার সময়ের ডেক্স তথ্য সূত্রে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, বাড়িতে বা বাসায় অভিভাবকদের কেমন ভূমিকা রাখা দরকার এবং মোবাইলের বিড়ম্বনা থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্তির উপায়সহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য পেশ করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হক। সভায় সকল সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকদের পরামর্শ নেওয়া হয়। সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক আমার সময়, মাল্টিমিডিয়ার নোয়াখালী প্রতিনিধি ও জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য আবুল কালাম আজাদ প্রকাশ নাম স্বাধীন। তথ্য সূত্রে, সাংবাদিক স্বাধীন প্রথমে আমার সময়ের পরিবারের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন যে, নোয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ দানের জন্যে। স্বাধীন বলেন. স্কুল-কলেজ জীবনে শিক্ষকদের যেসকল উপদেশ নিজে গ্রহণ ও বাস্তব জীবনে ফল পেয়েছেন তা মেনে চলার জন্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন: (১). নামায বা স্ব-ধর্মীয় ইবাদত করার মধ্যে প্রতিদিন ওজু করে পড়া শুরু করা। (২). সকল ক্লাসের শিক্ষার্থীরা যেন কমপক্ষে তিনবার প্রত্যেক পাঠ্য বই রিডিং পড়ে উচ্চারণ সঠিক করে,এতে করে পড়া প্রয়োজনীয় বিষয় মুখস্ত হয় এবং পরিক্ষায় যে কোন প্রশ্নের উত্তর কিছুটা হলেও লেখা যায়। (৩). যে প্রশ্নগুলো কঠিন সেগুলো দেখে দেখে প্রথমে লিখা এবং প্রয়োজনীয় উত্তরগুলো মুখস্ত করে আবার লিখা। (৪). সন্ধার পরে বাহিরে আড্ডা না দিয়ে রাত ৯-১০ টা পর্যন্ত পড়ে ঘুমিয়ে ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে স্ব-ধর্মীয় ইবাদত করে হালকা ব্যায়াম করে পানি পান করে জটিল বা কঠিন প্রশ্নের উত্তর লেখা ও পড়া। কারণ ঘুম থেকে ওঠার পরে ব্রেন সুপ্ত থাকে তখন ভালো মুখস্ত হয়। এবং (৫) পিতা-মাতা ও শিক্ষাকদের সম্মান ও তাঁদের কথা মেনে চলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। অভিভাবক মতবিনিময় সভায় আমার সময়ের প্রতিনিধি প্রথমে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হককে ধন্যবাদ জানান এই জন্যে যে, অত্র স্কুলে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এতো চমৎকার যে, একটি জুতাও শ্রেণী কক্ষে ছাত্ররা নিতে পারে না ! আমার সময়ের প্রতিনিধি দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জুতা বাহিরে রেখে প্রবেশসহ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য বিধি-মালা প্রণয়নের দাবি জানান সরকারের প্রতি। শিক্ষকদের প্রতি স্বাধীন বলেন, (১). চলতি বছরে যেহেতু ফলাফল তেমন ভালো হয়নি, তাই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনী অধ্যায়গুলো ক্লাসে শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রিডিং পড়ার মধ্যদিয়ে উচ্চারণগত সমস্যা দূর করা। কারণ উচ্চারণ ঠিক না হলে প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর মুখস্ত হবে না। এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর ক্লাসের মধ্যে মুখস্ত করার পরিবেশ তৈরি করা। (২). অভিভাবক ও রাষ্ট্রের অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ডের মতো ক্লাসে পড়া শেষ করার ব্যবস্থার দাবি তুলেন। (৩). শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন শেষ করা পর্যন্ত মোবাইলের বিড়াম্বা বা মোবাইল থেকে বিরত রাখা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা জীবন শেষ করা পর্যন্ত মোবাইল ব্যবহার বন্ধের কঠিন বিধি-মালা প্রণয়ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন। সবশেষে আমার সময়ের প্রতিনিধি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহসানুল হক মিলনসহ রাষ্ট্রের অভিভাবকদেরকে বৃটিশ প্রণোদিত কওমি,আলিয়া ও সাধারণ শিক্ষার মতো ত্রি-মুখি শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত জাতি গঠনে বিজ্ঞান ও ধর্মী নৈতিকতার সমন্বয়ে একমুখি সিলেবাস ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের জোর দাবি জানান এবং এই আন্দোলনে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান করেন।
Leave a Reply