1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
নড়াইলে কৃষি ব্যাংকের পে-অর্ডার গায়েব ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা - দৈনিক আমার সময়

নড়াইলে কৃষি ব্যাংকের পে-অর্ডার গায়েব ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

সাজ্জাদ তুহিন নড়াইল প্রতিনিধি
    প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
 নড়াইলে কালিয়ায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. এনামুল কবির ওরফে ইমন (৩৮) এর বিরুদ্ধে পে-অর্ডার চুরি, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাতক্ষীরা মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
১৫ মে, (শুক্রবার) বিকেলে কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার রাতে কালিয়া শাখার ব্যবস্থাপক শুভাশীষ মণ্ডল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মো. এনামুল কবির ওরফে ইমন যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুন্দশী মালোপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনামুল কবির চলতি বছরের ১০ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কালিয়া কৃষি ব্যাংকে দ্বিতীয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার জিম্মায় নন-এমআইসিআর পে-অর্ডারসহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দস্তাবেজ সংরক্ষিত ছিল। গত ১৫ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অফিস শুরুর আগেই শাখায় প্রবেশ করে তিনি নন-এমআইসিআর পে-অর্ডারের একটি পাতা (নম্বর-০৭২৬৯৯৯) সরিয়ে ফেলেন।
পরে শাখার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পে-অর্ডারটি শাখার বাইরে নিয়ে একটি জালিয়াত চক্রের কাছে দেওয়া, সেটিতে শ্যামলী শাখার নাম, কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি) সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পে-অর্ডারটি নগদায়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঢাকার স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে পাঠানো হলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে প্রধান কার্যালয় থেকে কালিয়া শাখার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে পুরো ঘটনাটি সামনে আসে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, শুরুতে এনামুল অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে তথ্যপ্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেন। যদিও পরবর্তীতে জালিয়াত চক্রের অন্য সদস্যদের বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এনামুল কবির তার বিরুদ্ধে করা সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন। তিনি বলেন, দস্তাবেজ আমার জিম্মায় ছিল, সেটি হারিয়ে গেছে। কিন্তু আমি কোনো জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত নই।
এ বিষয়ে কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়ছে। মামলার আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com