স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও দেশের গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট, কালভার্ট-ব্রিজ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং টেকসই নগরায়ণ কোন সম্ভাবনা এখনো জনগণের ভাগ্যে মিলছে না ! রাজনীবিদরা গলাভরা উন্নয়নের বুলি দিয়ে নিজেদের উন্নয়ন করে অনেকেউ পলাতক। গবেষণায় উঠে এসেছে এলজিআরডিকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতিবিদের অনেকে উন্নতি করলেও এলজিআরডি অধীনস্থ এলজিইডি বিশেষ সূত্র দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ১৩১ প্রজেক্টে অন্তবর্তী সরকার আমল থেকে এখন পর্যন্ত কোন বাজেট হয়নি বা প্রজেক্ট বৃদ্ধি করা হয়নি। সূত্রতায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এলজিআরডি খাতে ৪০ হাজার ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তবে গ্রামীণ সড়ক ও রক্ষণাবেক্ষণে চাহিদার তুলনায় তা কম। এলজিইডির বিশ্লেষকগণ মনে করছে ২০২৪ সালের বন্যার পরবর্তী জলাবদ্ধতায় দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি নোয়াখালী- ফেনী- লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও উন্নতির কোন কোন বাজেট হয়নি ! এলজিআরডি চাহিদার আলোকে বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে যে খাতগুলোতে পূর্বের তুলনায় বাজেট বাড়ানো অতীব জরুরি, যেমন: (১) গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন ও উন্নতিতে বর্তমানে চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ বরাদ্দ পাওয়া যায়। যা গ্রামীণ জনপদের টেকসই উন্নয়নে নগণ্য। ২০২৬-২৭ অর্থ বছর বাজেটে সংকট দূর নিশ্চিত করা উচিত। (২) ২০২৪ এর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু দ্রুত মেরামত এখন পর্যন্ত কোন বাজেট দেওয়া হয়নি৷ ফলে ২০২৬-২৭ অর্থ বছর জরুরি তহবিল বরাদ্দ রাখা।
(৩) দেশে জলাবদ্ধতায় টেকসই গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ভেস্তে যায়। তাই
বড় সেতু ও কালভার্ট নির্মান সময়ে খালের প্রস্ত ছোট বা ভরাট ও বক্স সিস্টেম সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ সম্পূর্ণ বন্ধসহ অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যায় ত্রাণ সরবরাহের বোর্ড চলাচল কল্পে বড় সেতু ও কালভার্টে পরিমাণ উচ্চতা রাখতে বাজেট বাড়ানো। এবং গ্রামীণ বাজার উন্নয়নে পানি, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ বাড়ানো।
(৪) নগর ও পৌরসভাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ। এবং পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তা মেরামতে বিশেষ তহবিল।
(৫). জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় টেকসই রাস্তা এবং বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
(৬). বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতা: প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে চলমান প্রকল্পগুলোর মেয়াদ না বাড়িয়ে যথাসময়ে শেষ করার জন্য অর্থায়ন। বিশ্লেষকগণ ধারণা,
রক্তঝরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে গণতন্ত্রের চবক নিয়ে বসা বিএনপি সরকার যদি সকল প্রকল্পে কাজের মান নিশ্চিতকরণে মনিটরিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা হারালে বিএনপি সরকারের প্রতি জনগণের আস্তা- বিশ্বাস হারানোর প পরিবেশ তৈরি হতে হবে !
Leave a Reply