1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
সাভারে নিখোঁজ সীমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার - দৈনিক আমার সময়

সাভারে নিখোঁজ সীমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

শাহীনুর ইসলাম ধ্রুব নয়ন
    প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪

নিখোঁজের ৫ দিন পর অপহৃত সীমা আক্তারের (৪৫) অর্ধগলিত মরদেহ যৌথভাবে উদ্ধার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সাভার মডেল থানা পুলিশ।

৬ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের খনিজনগর এলাকা হতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুবাশসিরা হাবিব লাশ উদ্ধার পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, চলতি মাসের গত ২রা জুন সীমা আক্তার নিখোঁজ হলে তার মেয়ে তানিয়া আক্তার অপহরণের মামলা করে। সেই মামলায় আটককৃত সাইফুলের জবানবন্দিতে অপহৃত সীমা আক্তারকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, এঘটনায় জড়িত মূলহোতা স্বপন এখনো পলাতক। পলাতক সব আসামীকে আটক ও ঘটনার তদন্ত শেষে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বিস্তারিত জানাবেন বলেও তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈরের খনিজনগরে মুন্নির বাসার সামনে হতে সাভার থানা পুলিশ ও ডিবি উত্তর, ঢাকা জেলা কর্তৃক সিমা আক্তার (৪৫) এর মৃতদেহ মাটিতে পুতে রাখা অবস্থায় হতে উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ উক্ত ঘটনার বিষয়ে জড়িত সন্দেহে মামলার ৩ নং আসামি সাইফুল নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেখানো স্থানেই সিমা আক্তারের মরহেদ উদ্ধার করে পুলিশ।

এজাহারে জানা যায়, খনিজনগরের সামছুর দোকান হতে ফ্রিজে রক্ষিত দুধ নিয়ে ফেরার পথে অজ্ঞাত নামা দুস্কৃতিকারী কর্তৃক অপহৃত হয় সীমা আক্তার। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে তার মেয়ে তানিয়া আক্তার গত ০৪/০৬/২০২৪ তারিখে ১। স্বপন, ২। আসিফ,৩। সাইফুল, ৪। রেজাউল কে অপহরনের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকার সন্দেহে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৬, তাং-৪/০৬/ ২০২৪।

তবে স্থানীয়রা জানান, স্বপন ও তার সহযোগীরা খনিজনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলো। তাদের মাদক ব্যবসার কারণে উঠতি বয়সের যুব সমাজ নষ্টপথে পা বাড়িয়েছিলো। এসব মাদক ব্যবসায় বাধা দিতেন সীমা আক্তার। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, সাভার থানাপুলিশ এবং ঢাকা-১৯ আসনের সাংসদকে বারবার অবগত করার পরেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি মাদকের বিরুদ্ধে। এমনকি সীমা আক্তারের নিরাপত্তার জন্যও এগিয়ে আসেনি কেউ। মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই তাকে প্রাণ দিতে হলো বলে অভিযোগ করেন প্রতিবেশীরা।

এসময়, হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিও জানান স্থানীয়রা।

লাশ উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুবাশসিরা হাবীব, সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ জামান, বিরুলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই দিদার, এসবি’র সাভার জোনের এ এস আই মো: তোফাজ্জল হোসেন, বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সেলিম মন্ডল, ইউপি সদস্য শরীফ হোসেন সহ স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com