সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, অত্র এলাকার রাজউকের ইমারত পরিদর্শক মোঃ শামীম হোসেন ভবন মালিকদের নোটিশ করে অফিসে ডেকে এনে টাকার বিনিময়ে অভিযোগ গুলো নিষ্পত্তি করেন, আর এ উৎকোচের টাকা মাঠ পরিদর্শক মোঃ শামীম হোসেনের হয়ে তাহার ব্যাক্তিগত সহকারী গ্রহন করে থাকে।
ইমারত পরিদর্শক শামীম হোসেন দীর্ঘ দিন একই এলাকার দায়িত্বে থেকে আয় বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাছাড়াও তাঁর দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় অনেক দূর্নামের শিকার হওয়ায় শামীম হোসেন মোঃপুর ও আদাবর এলাকার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছেন মর্মে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁহারই কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তি জানিয়েছেন। ইমারত পরিদর্শকদের পছন্দশীল এলাকায় বদলি হতে যদি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায় করতে হয় তবে সেই এলাকায় রাজউকের ইমারত পরিদর্শকদের ভূমিকা কি থাকতে পারে এটাই ভাবিয়ে তুলছে বিজ্ঞজনদের।
এ বিষয়ে ইমারত পরিদর্শক মোঃ শামীম হোসেনের নিকট রাজউক জোন ৩/১ এর অফিসে বেশ কয়েক দিন যোগাযোগ করে ও তাহার মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
মাঠ পরিদর্শক মোঃ শামীম হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নিতী সম্পর্কে মুঠোফোনে জোন ৩/১ এর অথরাইজড অফিসার মোহাব্বীর রনি’র সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আমার সময়’কে বলেন। দেশে নির্বাচন আসন্ন, এসময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সংকট থাকায় আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারছি না, তবে নির্বাচনের পরে আমরা দ্রুতই ত্রুটিপূর্ণ ভবন গুলোতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো। ইমারত পরিদর্শক শামীম হোসেনের বিষয়ে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
Leave a Reply