1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধ হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদা দাবিসহ কোর্টের আদেশ অমান্যের অভিযোগ অ্যাডভোকেট খলিল কে জীবননাশের হুমকি  - দৈনিক আমার সময়

রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধ হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদা দাবিসহ কোর্টের আদেশ অমান্যের অভিযোগ অ্যাডভোকেট খলিল কে জীবননাশের হুমকি 

আলামীন, রংপুর
    প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রংপুরের তাজহাট সর্দার পাড়া এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হোটেলে ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এবং কোর্টের আদেশ অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
গতকাল বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেওয়া ওই অভিযোগে ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ দাবি করেন, সর্দার পাড়া এলাকায় ১৬ শতক জমি তিনি ২০০৯ সালের ৩ মার্চ ২৫০৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেন। পরে ওই জমিতে ছাত্রাবাস নির্মাণ করে তিনি ভোগদখলে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, জমিটি নিয়ে আগের একটি মামলার রায় ও ডিক্রি রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আদালত থেকে ওই জমির বিষয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশও দেওয়া হয়। ইব্রাহীমের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মোছা. মাজেদা বেগম পিংকী দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সেখানে আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয় নির্মাণ করেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, সরকার পতনের পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে তিনি ওই ১৬ শতক জমির দখল ফিরে পান। পরে সেখানে একটি হোটেল পরিচালনা করছিলেন তিনি।
ইব্রাহীমের অভিযোগ, গত ২০ আগস্ট শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন হোটেলের শাটারের একটি হুকে তালা লাগিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করার পর বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে জানানো হলে তাজহাট মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এসআই রাশেদ ঘটনাস্থলে তদন্তে গেলে তাঁর উপস্থিতিতে ইব্রাহীমের কেয়ারটেকার মোখলেছকে সেলিম, সোলায়মানসহ ১০ থেকে ১২ জন মারধর করেন এবং তাঁর পরনের শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ছয়টার দিকে সেলিমসহ কয়েকজন লাঠি দিয়ে ইব্রাহীমের আরেক কেয়ারটেকার বাচ্চু মিয়াকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। একই সময় শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজনের সহযোগিতায় হোটেলের আরেকটি তালা ভেঙে চেয়ার-টেবিল, ফ্রিজ, চাল-ডালসহ প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ বলেন, “আমি বৈধভাবে জমিটি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছি। আদালতের আদেশ থাকার পরও আমার জমি ও হোটেল নিয়ে বারবার সমস্যা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমার কেয়ারটেকারদের মারধর করা হয়েছে এবং হোটেলের মালামাল নিয়ে গেছে।প্রতিনিয়ত এভাবে আমাকে হুমকি দিয়ে আসতেছে আইনকে তুচ্ছ করে অমান্য করে যাচ্ছে।  আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযোগকারীর দাবি, এসব ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আমারা অনুসন্ধানে গেলে তালা ভাংগা ছিলো এবং দোকানের মালামাল দোকানে ছিলো না।
স্থানীয় কয়েকজন বলে অ্যাডভোকেট খলিল এই জমি ক্রয় করছেন এবং এখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করছে হটাৎ দেখি এখানে লোকজনের সমাগম এবং ভাংচুরসহ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। সরজমিনে দেখা যায় খলিল সাহেবকে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি সহ কোর্ট এর আদেশ লঙ্ঘন করছে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন কে হুমকি দিয়ে মারধর করছে এই সুবিধাবাদীরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com