1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
‎নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের ভাঙনে আতঙ্কে ৪৪ পরিবার - দৈনিক আমার সময়

‎নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের ভাঙনে আতঙ্কে ৪৪ পরিবার

জাকারিয়া হোসেন, চট্টগ্রাম
    প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

‎চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে অবস্থিত, সাফ জাফর ভিলা, নামের ১২ তলা ভবনে বসবাসরত ৪৪টি পরিবার বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ভবনটির পাশ দিয়ে বাস্তবায়নাধীন, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প, এর কাজকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

‎জানা যায়, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দপ্রাপ্ত জমিতে নির্মিত ভবনটিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব পরিবার বসবাস করে আসছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা খালের প্রকৃত প্রস্থের তথ্য বিকৃতি করে ভবনের অংশবিশেষ ভেঙে ফেলছে।

‎ভুক্তভোগীরা জানান, বিএস শিট অনুযায়ী খালের প্রকৃত প্রস্থ পশ্চিম পাশে ৫১ ফুট এবং পূর্ব পাশে ৪৮ ফুট। অথচ সিডিএ সেটিকে ৫৮ ফুট দাবি করে পশ্চিম দিকে ভবনের প্রায় ৮ ফুট এবং পূর্ব দিকে আরও ৬ ফুট অংশ ভেঙে ফেলে।

‎মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির হাউস-১৮, রোড-৪ এর ফ্ল্যাট ও প্লট মালিকদের পক্ষে হুমায়ন কবির চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, মোয়াজ্জেম হোসেন, কাদের নেওয়াজ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ও সাইফুল ইসলামসহ অনেকে।

‎সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভবনটি কোনোভাবেই খালের মধ্যে পড়ে না, বরং সব ধরনের আইন মেনেই এটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবুও ক্ষমতার অপব্যবহার ও জোর প্রয়োগের মাধ্যমে একমাত্র আশ্রয়স্থল আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা হচ্ছে, যা ৪৪টি পরিবারকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

‎বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, এটি একটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি হওয়ায় এ ধরনের ভাঙচুর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও অবমাননার শামিল। ভাঙচুরের কারণে নারী, শিশু, রোগী ও বয়স্ক সদস্যরা মানবিক সংকটে পড়েছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

‎সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো, অবিলম্বে ভাঙচুর বন্ধ করা, হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪টি পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং পুরো প্রকল্পের অনিয়মের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা।

‎ভুক্তভোগীরা দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com