ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিনে কুমিল্লা-২ আসনের হোমনা উপজেলায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম ভূঁইয়ার সমর্থক ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিনের সমর্থকদের ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।”
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রচারণার প্রথম দিন বিকাল ৫টার দিকে হোমনা ওভার ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল হক জহর কর্মী সমর্থকদের একটি গাড়িবহর নিয়ে শ্রিমদ্দি যাচ্ছিলেন। হোমনা ওভার ব্রিজের নিচে পৌঁছালে বিএনপি নেতাকর্মীরা গাড়ি বহরে হামলা করে। এ সময় উভয় দলের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে এবং অন্তত ১০ জন আহত হন।”
পুলিশ ও সেনাবাহিনী খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।
হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ঘটনার সময় আমি ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়ায় মিটিংয়ে ছিলাম। শুনেছি আমাদের বিএনপির প্রার্থী মো. সেলিম ভূঁইয়াকে নিয়ে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন শ্রিমদ্দি গ্রামে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক স্লোগান দিতে নিষেধ করলে তারা মারামারি শুরু করে; এতে আমাদের একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল হক জহর বলেন, আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন বিকালে হোমনা আসেন এবং মরহুম এমকে আনোয়ারের কবর জিয়ারত করে আমরা শ্রিমদ্দি মরহুম জলিল সাহেবের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলাম। ওভার ব্রিজের কাছে পৌঁছলে বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে গাড়িবহরে হামলা করে আমার গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় ৭-৮ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।”
Leave a Reply