ইউক্রেনে শত শত ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গতকাল শনিবার রাতভর চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছে। যুদ্ধের তিন বছরেরও বেশি সময় পর শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি আশার জন্ম দিচ্ছিল। এমন সময়ে এই
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের সিস্টেমে চীনা কর্মীদের দিয়ে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে মাইক্রোসফট। এর আগে প্রো-পাবলিকা নামের এক সংবাদ সংস্থা জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ক্লাউড পরিষেবা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মাইক্রোসফট
সিরিয়ার সুয়েইদা প্রদেশে প্রায় এক সপ্তাহের সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১৮ জনে। দেশটির দ্রæজ স¤প্রদায়ের প্রাণকেন্দ্রে চলমান এই সংঘর্ষে হতাহতের নতুন এ হিসাব জানিয়েছে যুদ্ধ-পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর
কানাডায় দাবানলে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৩৬ লাখ একর (৫৫ লাখ হেক্টর) জমি পুড়ে গেছে। যা আয়তনে প্রায় ক্রোয়েশিয়ার সমান। গত শুক্রবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। মন্ট্রিল
সিঙ্গাপুরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এখন একটি ‘গুরুতর’ সাইবার হামলার মুখে পড়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় মন্ত্রী কে. শানমুগম এই তথ্য জানিয়েছেন। শানমুগম জানান, অত্যন্ত জটিল এ হামলার সঙ্গে
ইরাকে একটি শপিংমলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে
বৃটেনে বাংলাদেশী শীর্ষ ওলিয়ে কামিল, প্রখ্যাত বুযুর্গ, ইউকে ওলামা সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি ও আনজুমানে আল-ইসলাহ ইউকের প্রতিষ্ঠাতা, লন্ডন দারুল হাদীস লাতিফিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, শায়খুল হাদীস, উস্তাযুল ফুকাহা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, রঈসুল কুররা,
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল পরিচালিত তথাকথিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের ত্রাণকেন্দ্রগুলোর কাছে প্রতিদিন ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের গুলি করে হত্যা করছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে, গত ছয় সপ্তাহে কমপক্ষে ৮৭৫ জনকে
ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলে গতকাল মঙ্গলবার ৫.৮ মাত্রার একটি ভ‚মিকম্প আঘাত হেনেছে। ইলোকোস নর্টে প্রদেশে আঘাত হানা এই ভ‚মিকম্পে কাগায়ান, ইলোকোস সুর, ইসাবেলা এবং আবরা প্রদেশগুলোও কেঁপে ওঠে। ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অফ ভলকানোলজি
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়াকে ৫০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। না হলে শতভাগ হারে শুল্ক আরোপসহ কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে মস্কো। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়,