চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ড্রাইভার নুর আলম (৪৬)-এর মরদেহ নিজস্ব পারিবারিক পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্যজনক এ মৃত্যুকে ঘিরে পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিহত নুর আলম বন্দর থানাধীন পকেট গেইট এলাকার কলশী দিঘির পাড়ে আলি মিয়া সারাংয়ের বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মন্জুর আলমের ছেলে এবং পেশায় একজন ড্রাইভার ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ১২টার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এরপর বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বাড়ির নিজস্ব পারিবারিক পুকুরে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
নিহত নুর আলম চার সন্তানের জনক। তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা আরজু নামের এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন নিরীহ শ্রমজীবী মানুষের এভাবে রহস্যজনক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Leave a Reply