1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
বনভূমি দখল ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের বিরুদ্ধে - দৈনিক আমার সময়

বনভূমি দখল ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের বিরুদ্ধে

দিদারুল আলম সিকদার, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
    প্রকাশিত : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

গুরুতর অভিযোগ কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের রাজারকুল রেঞ্জে বনের জায়গা দখল, বিক্রি এবং ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে তিনি এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সিন্ডিকেটে রাজারকুল রেঞ্জের তিন বিট কর্মকর্তা—আলফুয়াদ, শিহাব ও পল্লব কুমার জড়িত। বনের জায়গায় ঘর নির্মাণ বা জমি বিক্রির ক্ষেত্রে রেঞ্জ কর্মকর্তার অনুমতি বাধ্যতামূলক, আর এই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে গড়ে উঠেছে ঘুষের এক সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক।

অভিযোগ অনুযায়ী, আপার রেজু বিট এলাকায় কালুর দোকান পূর্ব পাড়ায় আবুল হোসেনের ছেলে রাসেলের ক্রয়কৃত জায়গায় বিট কর্মকর্তা আলফুয়াদের তদারকিতে রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশে ‘পাহাড় কাটার’ মামলার ভয় দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

এছাড়া থোয়াইংগা কাটা ফজল আম্বিয়া স্কুলের পেছনে জাকির আহম্মেদের দখলীয় জায়গা রোহিঙ্গা সাদ্দামের কাছে বিক্রি করা হয়। ঘর নির্মাণের পরপরই আপার রেজু বিট কর্মকর্তা ও তার স্টাফরা সেখানে গিয়ে ‘নাটকীয় অভিযান’ চালিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে সাদ্দামের কাছ থেকে আরও ৩০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

জুম্মাপাড়া এলাকায় আবুল হোসেন দীর্ঘদিনের দখলীয় বনের জায়গায় একটি পাকা দোকান নির্মাণ করতে গিয়ে ৪০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে ওই এলাকার মুজাফফর মিস্ত্রি, আলম ড্রাইভারসহ আরও অনেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিট কর্মকর্তা আলফুয়াদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, টাকা নেওয়ার সময় একই ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়, যার ফলে পুরো রাজারকুল রেঞ্জ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব টাকা শেষ পর্যন্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের কাছেই পৌঁছে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমান দাবি করেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা সবকিছু অবগত রয়েছেন। তবে এতে জনমনে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—এই অর্থ কি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পৌঁছাচ্ছে?

এদিকে, একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের ডিএফও আবদুল্লা আল মামুনের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। এবিষয়ে ডিএফও বক্তব্য জানতে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে রিসিভ না- করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com