হিরো আলমকে দেখতে ভিড়

মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘ সাত মাস পর শর্ত সাপেক্ষে শুক্রবার দেশের সিনেমা হলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। ৪০টি হলে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘সাহসী হিরো আলম’। যদিও অধিকাংশ হলে দর্শক উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু‘ হিরো আলম বলছেন ‘সুপারডুপার না হলেও ভালোই চলছে’ তার সিনেমা। ‘গীত’ এবং ‘সংগীত’ হলের ম্যানেজার সবুজ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সিনেমা মুক্তি পা”েছ এই খবর অনেকেই জানেন না। তাই দর্শক উপস্থিতি কম। যে কারণে সকালের শো আমরা বন্ধ রেখেছি। বিকালের শোতে ছিল ১৭ জন এবং রাতের শোতে দুই হল মিলিয়ে দর্শক হয়েছে ৪০ জন।’ ‘চিত্রামহল’ সিনেমার সুপার ভাইজার সোহেল বলেন, ‘দর্শক ভালো সিনেমা দেখতে চায়। এই সিনেমাটিও সাফল্য পাবে এমন প্রত্যাশা রয়েছে। তবে শুক্রবার দর্শক বেশি ছিল না। হিরো আলম নতুন নায়ক। আমাদের দর্শকদের চাহিদা এখন যারা সুপারস্টার আছেন তাদের সিনেমা। হিরো আলমের সিনেমায় দর্শক রেসপন্স কেমন তা এ সপ্তাহেই জানা যাবে।’ রাজধানীর ‘আনন্দ’ ও ‘ছন্দ’ সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, ‘আমাদের প্রথম প্রদর্শনী শুরু হয় সকাল ১০টায়। দুই হলে প্রত্যাশার চেয়ে দর্শক কম হলেও দীর্ঘদিনের খরার পর হলে দর্শক এসেছে এটাই আনন্দ।’ এদিকে হিরো আলম জানান, তার সিনেমা চিত্রামহল, জিঞ্জিরার নিউ গুলশান ও নারায়ণগঞ্জে ভালো ব্যবসা করছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুটি শো ছিল দর্শকপূর্ণ। এ ছাড়া ঢাকার বাইরে থেকে তার কাছে যেসব হল থেকে ফোন এসেছে, সেগুলোতেও দর্শক সমাগম ছিল উল্লেখ করার মতো। হিরো আলম রাজধানীর বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহ শুক্রবার ঘুরে দেখেছেন। এ সময় তাকে দেখতে, তার সঙ্গে সেলফি তুলতে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছেন। কিন্তু তার সিনেমা দেখতে মানুষ সেভাবে আগ্রহী হয়নি বলেই হল মালিক সূত্রে জানা গেছে। যদিও অনেকেই বলছেন, প্রথম দিন ফাঁকা গেলেও করোনার এই সময়ে ধীরে ধীরে হলে দর্শক বাড়বে। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে। হিরো আলম প্রযোজিত, অভিনীত সিনেমা ‘সাহসী হিরো আলম’। করোনার কারণে যেখানে দেশের স্বনামধন্য প্রযোজকরা এ সময় সিনেমা মুক্তি দিতে সাহস পাননি, সেখানে হিরো আলম এগিয়ে এসেছেন। তার সিনেমা দিয়েই দীর্ঘ সাত মাস পর খুলল হলগুলো। যদিও বড় অনেক হল এখনও বন্ধ রয়েছে। ভালো সিনেমা পাওয়া না গেলে তারা হল খুলবেন না বলে জানিয়েছেন। ‘সাহসী হিরো আলম’-এ আরো অভিনয় করেছেন সাকিরা মৌ, রাবিনা বৃষ্টি ও নুসরাত জাহান, কালা আজিজ প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন এ আর মুকুল নেতৃবাদি। গল্প লিখেছেন পিজি মোস্তফা। চিত্রনাট্য করেছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।