এফএনএস: দেড় দশক আগে রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মোসাম্মৎ ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার অভিযোগে সৎ ছেলেসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নার্গিস ইসলাম এ রায় দেন। মৃত্যুদÐপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আল আমিন, মো. মিরাজ মোল্লা ও নুর আলমৃত্যুদণ্ড র পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদÐ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থাকা আসামি আল আমিন ও মিরাজকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবার তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি নুর আলম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলায় অভিযোগে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমের স্বামীর আগের স্ত্রী ও অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় ২০১০ সালের ৮ মে হাত পা বেঁধে ও গলায় ফাঁস দিয়ে ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে হত্যা করে। ওই ঘটনায় রাজধানীর কদমতলীর থানায় নিহতের ভাই মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন বিচারক।
Leave a Reply