1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
সাতক্ষীরা দ্রুত অপসারিত কচুরিপানা ও শেওলা, কপোতাক্ষে ফিরেছে জোয়ার-ভাটা - দৈনিক আমার সময়

সাতক্ষীরা দ্রুত অপসারিত কচুরিপানা ও শেওলা, কপোতাক্ষে ফিরেছে জোয়ার-ভাটা

সিরাজুল ইসলাম সাতক্ষীরা
    প্রকাশিত : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

বিভিন্ন গণমাধ্যমে  ১ আগস্ট ‘কপোতাক্ষের দুই তীরের পাঁচ উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ কচুরিপানা ও শেওলার কারণে পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কা!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পরেই টনক নড়ে প্রশাসনের। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপা রানী সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে কপোতাক্ষ নদ থেকে কচুরিপানা ও শেওলা অপসারণের ব্যবস্থা করেন।

এ লক্ষ্যে তালার মাগুরা ব্রিজের পাশে বাঁশ ও কাঠের সাঁকো অপসারণ করা হয়। ফলে জমে থাকা কচুরিপানা ও শেওলা দ্রুত সরিয়ে ফেলা সম্ভব হয় এবং নদীতে স্বাভাবিকভাবে জোয়ার-ভাটা চলাচল শুরু হয়।
মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, ভরা বর্ষায় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও স্রোতের সঙ্গে কপোতাক্ষে বিপুল কচুরিপানা ও শেওলা জমে জোয়ার-ভাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে যশোরের ঝিকরগাছা, মনিরামপুর, কেশবপুর, কলারোয়া এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার শতাধিক বিল ও বহু গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঝিকরগাছা ও মনিরামপুরের বাওড়ে জমে থাকা কচুরিপানা বৃষ্টির স্রোতে কপোতাক্ষে নেমে আসে। অতিরিক্ত চাপের কারণে কয়েকদিন আগে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাগরদাড়ীর কাঠের সাঁকো ভেঙে যায়। একইভাবে তালার মাগুরা বাজার সংলগ্ন নতুন ব্রিজের পাশে বাঁশের সাঁকোতে কচুরিপানা আটকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়।
ইউএনও দীপা রানী সরকার মাগুরা ও ইসলামকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ফলস্বরূপ সাঁকো অপসারণ ও কচুরিপানা-শেওলা সরানোর কাজ সম্পন্ন হয়। এতে নদীতে জোয়ার-ভাটা ফিরে এসেছে এবং ডুবে থাকা বিলের পানি নামতে শুরু করেছে।
স্থানীয় নাজমুল হোসেন, আবু সাঈদ ও ইব্রাহিম খলিল জানান, দীর্ঘদিন পরে কপোতাক্ষে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com