সঙ্খনদীর ভাঙ্গন বাড়ছে দিনদিন পুকুরিয়ায় জনজীবন দূর্বিষহ।

33

মোহাম্মদ হায়দার আলী, চট্টগ্রাম বাশঁখালী উপজেলা প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম জেলার বাশঁখালী উপজেলার ১নং ইউনিয়ন পুকুরিয়া।এই ইউনিয়নের পশ্চিম পুকুরিয়া এলাকার জনগন নদীভাঙ্গা রোগে আক্রান্ত।বার বার নদীভাঙ্গনে এলাকাবাসী ভিটে-মাটি সহায় সম্বলহীনতায় ভূগছেন দীর্ঘদিন ধরে। নদীভাঙ্গার কবলে পড়া আশ্রয়হীন মানুষগুলো সাতকানিয়া হতে বাশঁখালী, আবার বাশঁখালী হতে সাতকানিয়ার এপার ওপারে আশ্রয় নেয়।নদীভাঙ্গার কারনে প্রায় প্রতিবছর এই এলাকার বাসিন্দারা ঘর বাড়ী নদীতে বিলিন হওয়ার কারনে পাহাড়ে আশ্রয় নেয়।সরকারী খাসজমিতে কুড়েঘর বেঁধে থাকে,সেখানেও আবার চিন্ড়িকেট।এলাকার কিছু ভূমি দস্যুরা আশ্রয়হীনদের কে প্রতারনার ফাঁদে পেলে সর্বস্ব কেঁড়ে
নেয়। তারা সব হারিয়ে কোন মতে জীবন নিয়ে ফিরে আশ্রয় খোঁজে। এই সঙ্খনদীর ভাঙ্গন মানুষের জীবনকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করে।মানুষ কে করে তোলে অসহায়।নদীর পাদদেশে গেলে সবারই নজরে পড়বে,বর্ষার বৃষ্টির পানি আর জোয়ারের তীব্র আঘাতে একের পর এক ভূমি গিলে খাচ্ছে রাক্ষুসে নামধারী সঙ্খনদী। যেখানে উত্তাল ঢেউয়ের কারণে কূলে দাঁড়ানোর কোন সুযোগ থাকেনা।কয়েকজন দর্শনার্থী কূলে দাঁড়ালে হঠাৎ দ্রুত একটি অংশ ভাঙ্গলে তাদের সবার মধ্যে আতংক বিরাজ করে।বসবাসরত জনজীবন এর কোন নিরাপত্তা নেই। তাদের দিন যায় কোন মতে,রাত আসলে শুরু হয় আতংক।জীবন হারানোর ভয়।নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়ে পাড়ি জমান অসহায় রাজিয়া বেগম পাহাড়ের পাদদেশে।সরকারি খাস জমিতে তার ও তার ছেলে সন্তানের আশ্রয় স্হল।কোনমতে জীবন অতিবাহিত করতেছে।এভাবে শত শত মানুষ ঘর বাড়ী হারা।আমাদের আর কত কলমের কালি শেষ করলে এই নিরীহ মানুষ তারা তাদের অধিকার ফিরে পাবে?এই নদীতে যখন জোয়ারআসে তখন উপরে ভাঙ্গে আর যখন ভাঁটা হয় তখন নিচের অংশ ভেঙ্গে নদীর গভীর তলদেশে বিলীন হয়ে যায়।নদীর পাড়ে বাস করেন রহিম মিয়া ও জেবল হোসাইন। তারা বলেন,বাশঁখালীর মাটি ও মানুষের প্রানের ব্যক্তি তৃণমূলের নেতা আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী যদি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কে বাশঁখালীবাসির এই করুন পরিস্থতির কথা বলেন,তিনি অবশ্যই অসহায় মানুষগুলার জন্য কিছু না কিছু করবেন।নদী ভাঙ্গা লোকদের পাশে দাঁড়াবেন।নুরুল ইসলাম ও জসিম বলে যদি এমপি সাহেব পশ্চিম পুকুরিয়া এলাকায় বাঁধ নির্মাণে ব্যবস্থা নেন তো হাজারো মানুষ সস্তির নিশ্বাঃস ত্যাগ করতে পারবে। সমস্যা সমাধানে, বাঁশখালীবাসির পক্ষে এমপি সাহেব যদি এগিয়ে আসেন তাহলে এই অসহায় লোকগুলার প্রান নিয়ে বেঁচে তাকার আশা আছে।