শুদ্ধি অভিযান নিষ্ফল নয় ।। এইচ এম মেহেদী হাসান

এইচ এম মেহেদী হাসানঃ সারা বিশ্বের সেরা রাষ্ট্রনায়ক,বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মোতাবেক শুদ্ধি অভিযান চলছে । যে অভিযান শুধু কিন্তু লোক দেখানো নয়। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, সারা বিশ্বের নির্যাতিত নিষ্পেষিত জাতির নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন অন্যায় অবিচার, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। তিনি কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। আর অন্যায়কে প্রশ্রয়ও দেয় নি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের রক্ত যাঁর ধমনীতে গ্রোত বহমান তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাও পিতা মুজিবের আদর্শকে বুকে ধারণ করে দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তিনি সততা আদর্শ কমিটমেন্ট দেশপ্রেম নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে যাচ্ছেন। কোনো অন্যায় তাঁকে স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি। পিতা বঙ্গবন্ধুর মতো তিনি বাঙালি জাতির মুখে হাসি ফোটাতে জীবনের শেষ রক্ত বিন্দ দিতে দ্বিধা বোধ করছেন না। সুতরাং যে মৃত্যু কে বারবার আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত রয়েছেন এবং বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে স্বয়ং সৃষ্টি কর্তার উছিলায় বেঁচে আছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাতা মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব,ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেল।শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজি জামাল। পরিবারের সব অধিকাংশ সদস্য কে হারিয়ে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে পাহাড়সম দুঃখ যন্ত্রনা নিয়ে এক বছর নয়ুই বছর নয় ছয়টি বছর বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবনযাপন করেছিলেন। শত বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে জেনারেল খুনি জিয়ার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন এবং তার এক বছর পূর্বেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন।তিনি যে লের সভাপতি নির্বাচিত হন,সেইল-ই মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালি জাতির সকল আশা আকাঙ্খার পূরণ করতে সামর্থ হয়েছিল। সুতরাং তিনি এতো বড় গুরু দায়িত্ব পেয়ে জাতির পিতার মতোই অসীম সাহসের সাথে মেধা মনন দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী, তিনি সারা বিশ্বের আইকন, আইডল।

তিনি ছাত্র জীবন থেকেই মেধা মননের সাথে একজন সৃজনশীল মানুষ হিসেবে নিজেক তৈরি করেছেন।জীবনের চরম সংকট মুহূর্তেও তিনি সততা আদর্শের কাছে কমপ্রোমাইজ করতে রাজি নন। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তিনি নির্লসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কোনো বাঁধা বিপত্তি -ই তাঁকে রুখতে পারবেনা। দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, সমাজের অনিয়ম যেনো কোনো উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাড়াতে না পারে সেই জন্যই তিনি নিজের ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন। আগামীর বাংলাদেশে যেনো কোনো অনিয়ম দুর্নীতি না থাকে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপর যেনো কোনো কালো ছায়া স্পর্শ করতে না পারে, তাই তিনি কঠোর হস্তে শুদ্ধি অভিযান চালাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এতে করে কোনো ল বা গোষ্ঠী বিবেচনায় না এনেুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এই অভিযান শুধু রাজনৈতিক লের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সকল স্তরের মাঝে অভিযান চালানোরও ইঙ্গিত দিয়েছেন। যাতে করে সমাজ থেকে রাষ্ট্রের সকল স্তর পরিশুদ্ধ থাকে অর্থাৎ গ্রাস লেভেল টু আপার লেভেল পর্যন্ত। শেখ হাসিনার সততা কমিটমেন্ট নেতৃত্ব এবং দেশ প্রেমের কারণে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে ম্যান্ডেট দেয় সরকার গঠন করতে, আর দেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধ নিয়ে। সকল স্তরের অনিয়ম দুর্নীতির প্রথাূর করে দেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলার দিকে।কিন্তু বেশি দিন এগুতে পারেনি। আবার যখন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বিএনপি জামাত ক্ষমতায় আসছিলো তখন আবার সন্ত্রাস দুর্নীতি মাক অনিয়ম সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়ে। যদি একটু পিছনে তাকানো যায়, সেখানে দেখা যায় ৭৫ সালে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসের বীজরোপণ করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীরা।অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক দেশে রুপান্তর করে মাদক সন্ত্রাস জঙ্গি বাদের দেশ চালু করতে রাষ্ট্রীয় সব পৃষ্ঠপোষকতা দেয় খুনি মোস্তাক ও খুনি জিয়া।অনিয়মকেই সমাজের নিয়মে পরিণত করে দেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে সব ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়েছিলো প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীরা।রাজনীতিকে কলুষিত করে সমাজ তথা রাষ্ট্রের ভিতর অনিয়ম দুর্নীতি,সন্ত্রাসকে নিয়মে চালু করার পাঁয়তারা করে খুনি চক্র।বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নির্বাসিত করার সব ধরণের চেষ্টা চালানোর ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ করে রাজনীতিতে অবৈধ অর্থের শক্তি,পেশিশক্তি, সন্ত্রাস মাদকের ব্যবহার চালু করে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায় প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী। ছাত্র রাজনীতিতে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক পরিবর্তন আনে খুনি জিয়া।

ছাত্রদের মাঝে অবৈধ অর্থ ও অস্ত্র এবং মাদকের অহোরহ ব্যবহারের করার ব্যবস্হা করে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করে। ছাত্ররাজনীতির আদর্শকে কলা টিপে হত্যা করে অবৈধ সামরিক শাসকরা তাদের ক্ষমতাকে ধরার রাখার চেষ্টা করেছিল।মেধার রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে মেধাহীন রাজনীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে সমাজ তথা রাষ্ট্রকে করেছে মেধাশূন্য। সুতরাং আজকে যে সমাজের মধ্যে অস্তিরতা, মাদক সন্ত্রাস, অনিয়ম এবং ছাত্র রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা তা কিন্তু এক দিনে সৃষ্টি হয়নি।সব কিছুরই মূলে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও প্রতিক্রিয়াশীলদের অবৈধভাবে দেশ শাসন করার কুফল। আজকের ক্যাসিনো থেকে শুরু করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার সব কিছুই অনিয়মের প্রথাকে নিয়মে চালু করেছিল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। বিশেষ করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ করে এবং অর্থ বিত্ত মাদক সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে বিভিন্ন কৌশল বেছে নিয়েছে।
কারণ মেধা ও আদর্শের রাজনীতি থাকলে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের আশা কখনও পূরণ হবে না। তাই তারা আজ ছাত্ররাজনীতিতে সব চাইতে বেশি অর্থ ও লভিস্ট নিয়োগ দিয়ে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা এই অনিয়ম দুর্নীতি বিরুদ্ধে শুদ্ধিকরণ আনতে সব ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর একটিই লক্ষ্য পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনো অন্যায় অবিচার থাকবে না। কোনো মাক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব থাকবে না। সমাজের মধ্যে বৈষম্য থাকবে না।দল কিংবা শুধুই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এই অভিযান নয়,সকল স্তরের অনিয়ম দূর না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে।রাজনীতিতে সততা আর্শ ও কমিটমেন্টের অভাব থাকলে দেশ ও জাতির মঙ্গল সাধন সম্ভব নয়।তাইতো তিনি গোড়ায় হাত দিয়েছেন। যেখান থেকে সমূলে উৎপাটন করে পরিশুদ্ধ জাতি গঠনের মূল নিয়ামক হবে শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান। তিনি যে বিশ্বের সততা ও আদর্শের প্রতীক ও শান্তি উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বাঙালি জাতির ভাগ্যান্নয়ন ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যা যা প্রয়োজন তার সব কিছুই তিনি করে যাবেন।

তিনি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় সব কিছু করতে পারেন।তিনি শুধু এ দেশের মানুষের সহযোগিতা চান।তিনি তাঁর ভাইবোন আত্মীয় স্বজনদের হারিয়ে বাঙালি জাতিকে আপন করে নিয়েছেন।তাঁর জীবনে চাওয়া কিছুই নাই।তিনি শুধু বাঙালি জাতিকে দিতে এসেছেন। নিতে আসেন নি। তিনি রাজনীতিতে আসার একটি -ই মূল কারণ বাঙালি জাতি মাথা উঁচু করে আত্মসম্মান বোধ নিয়ে বাঁচবে।কারও কাছে হাত পাতবেনা। মাথা নত করবেনা। পৃথিবীর অন্যান্য সভ্য জাতির ন্যায় বাঙালি জাতিও বাঁচবে।সুতরাং বাঙালি জাতিকে যেনো কেউ যেনো ভিন্ন পথে অনিয়মের দিকে নিয়ে যেতে না পারে সেই ব্যাপারেও তিনি সদা জাগদ দৃষ্টি রেখে শে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তিনি রাষ্ট্রের শাসক হিসেবে নয় সেবক হিসেবে ইতিমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।বাংলাদেশকে পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পাশাপাশি দেশকে পৃথিবীর রোল মডেলে পরিণত করার কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য প্রথমেই সোনার মানুষ তৈরি করার জন্যই শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন অর্থাৎ তার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও তিনি বিন্দুমাত্র সরে যাবেনা। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি এখন সবচাইতে জনপ্রিয় রাষ্ট্র্রনায়ক।তিনি শুধু দেশের মানুষের কাছে নয় বহিঃ বিশ্বের কাছেও আইকন।সমাজের সর্বস্তরে জবাব দিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি-ই পারবেন কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা। তাঁর আছে অসীম সাহস,মেধা ক্ষতা সততা,নেতৃত্ব গুণ,বাগ্মিতা এবং পিতা মুজিবের আর স্নেহ মমতা ভালোবাসা সর্বপরি তাঁর শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্ত।

তিনি তাঁর জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও এই শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে উপহার দিবেন বিশুদ্ধ বাংলাদেশ।যে বাংলাদেশে আর কোনোদিন মাদক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের উথান না ঘটে।আর যেনোকোনদিন ঐ পতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের মতো রাষ্ট্র্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাস মাদক জঙ্গীবাদের উথান না ঘটাতে পারে, সেই জন্যই শুদ্ধি অভিযান। অর্থ-বিত্তের বৈভবের কারণে যেনো সমাজে বৈষম্য না াকে সেই জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের কারণে যেনো দেশ পিছিয়ে না যায়, তার জন্য তিনি যথায ব্যবস্হা গ্রহণ করে দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছেন। কোনো মুষ্টিমেয় দূষ্ট চক্রের কারণে যেনো গোটা সমাজ তথা রাষ্ট্রের ক্ষতি না হয় সেই জন্যই শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান। ভবিষ্যেতের বাংলাশেকে যেনোকোনোদিন অনিয়ম দুর্নীতি, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ স্পর্শ করতে না পারে, সেই জন্য-ই শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান। জাতির ভবিষ্যৎ আলোয় আলোকিত হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে।

তবে বাংলাদেশের মানুষ যেনো আর কোনোদিন পতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর পাতানো ফাঁদে পা না দেয় সেই বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে দেশ ও জাতির জন্য যেভাবে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে,এবং অন্য কোনো রাজনৈতিক  কিছুটা পরিমাণও করতো তা হলে আজ এতোটা বেগ পেতে হতো না আওয়ামী লীগ সরকারকে।সুতরাং শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সমাজ তথা রাষ্ট্রের সকল স্তরে অনিয়ম দূর হবে।বিএনপি জামাতের রেখে যাওয়া অনিয়ম দুর্নীতি মাদক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নিপাত যাক এবং ছাত্ররাজনীতির সোনালী দিন ফিরে আসবে বলে জাতি আশাবাদী। শেখ হাসিনার চিন্তা চেতনায় বেড়ে উঠুক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।যেভাবে তিনি তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য।আর যেনোকোনোদিন কেউ ইতিহাস বিকৃত করে জাতিকে বিভ্রান্ত না করতে পারে।মিথ্যাকে সত্য রুপে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে। এতোদিনের বিএনপি জামাতের জঞ্জাল পরিস্কার করতে কিছুটা সময় ও বেগ পেতে হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারকে।তবে সফলতা আসবেই।কোনো ষড়যন্ত্রই শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান কে ব্যাহত করতে পারবে না।সাদামাটা জীবন আর আদর্শভিত্তিক রাজনীতির চর্চার মধ্য দিয়েই তিনি লে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন। সুতরাং রাজনীতিতে আর যেনো কেউ অনিয়মকে নিয়মে পরিণত না করতে পারে, সেই কারণে এই অভিযান।

রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা রোধ করতে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ভূমিকা যেমন প্রয়োজন রয়েছে, তেমনি রাজনৈতিকলগুলোর গঠনতন্ত্র ও আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির ধরনার হওয়া আবশ্যক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা,অনিয়ম দুর্নীতি মাক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের কুফল সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানের চর্চা করা প্রয়োজন।সমাজের সকল স্তর থেকে আওয়াজ প্রয়োজন। শুধুমাত্র নিজের দিকে তাকালেই হবে না। ভ্রাতৃত্ববোধের বিকাশের উন্মোচন ঘটাতে হবে। সুতরাং বঙ্গবন্ধু কন্যা সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে, এবং ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।নিজের আত্মার পরিশুদ্ধাতাই পারে সকল অন্যায় অবিচার অনিয়ম দূর করতে।
একজন শেখ হাসিনার জন্যই দেশ আজ সারা বিশ্বের বিস্ময়। ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা আজ সারা বিশ্বে সমুন্নত। একজন শেখ হাসিনার কারণে সম্ভব হয়েছে শুদ্ধি অভিযান। জাতির আশা আকাঙ্খার প্রতীক শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার মতো এতো বেশি প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে এগুতে হয়নি কোনো বিশ্ব নেতাকে।তাঁকে সবসময়ই গ্রোতের বিপরীতে চলতে হয়েছে। সেটা লের ভিতরে কিংবা দলের বাহিরে সব খানেই।তিনি যে কষ্ট বেনা দুঃখ যন্ত্রনা নিয়ে আজও রাষ্ট্র পরিচালনা করে যাচ্ছেন তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা।জাতি রাষ্ট্রের ভাগ্যের গ্রষ্টা তিনিই। তিনিও তো মানুষ কিন্তু তারপরও তিনি যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, শুধুমাত্র মানুষের কল্যাণের জন্য।বিশ্বরবারে আজ তিনি দেশরত্ন থেকে বিশ্ব রত্নে পরিণত হয়েছেন। হয়তো এমন এক দিন আসবে শেখ হাসিনা ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত হবেন,সেইদিন বেশি দূরে নয়। স্রোত থাকতে দাতের মর্যাদা না বুঝার মতো যেনো বাঙালির ভাগ্যে না ঘটে । শেখ হাসিনা এমনই একজন রাষ্ট্র্রনায়ক তাঁকে পৃথিবীর মানুষ আইডল হিসেবে গহন করেছেন।তাঁর একনিষ্ঠতা কমিটমেন্ট নেতৃত্ব জাতিকে উচ্চতর থেকে উচ্চতর স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান বাহ্যিক অভিযান নয় আত্মার শুদ্ধিতাও বটে। নেতা কর্মী ও দেশবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ।শেখ হাসিনা কি চাইছেন, কেমন রাজনীতি, কেমন নীতি, কেমন মানুষ তিনি নেতৃত্বে আনতে চান সবই প্রকাশিত হয়েছে অভিযানের মধ্য দিয়ে। তবে এই অভিযান নতুন নয়,তিনি সব সময়ই নিজের লের নেতা কর্মীরে শুদ্ধিকরণ করে আসছেন।হয়তো চলমান অভিযান ঘটা করে করার কারণে অনেকের কাছে নতুন মনে হতে পারে।তিনি তাঁর লের নেতা কর্মীরে সব সময় সাধারণ জীবন যাপনের তাগিদ দিয়ে আসছেন।তিনি নিজেই সব সময়ই সাদামাটা সাধারণ জীবন যাপনে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করলেও দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর পরিবার খুবই সাধারণ জীবন যাপন করতেন।অনেক সুযোগ সুবিধা থাকা সত্বেও বঙ্গবন্ধুর পরিবার সাদামাটা জীবন যাপন করতেন।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা আমার মা, শেখ হাসিনার প্রবন্ধ পাঠ করলেও দেখা যায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সব সময়ই নিজের ও পরিবারের সবাইকে সাদামাটা জীবন যাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। তাই তো শেখ হাসিনাও পিতা মাতার আদর্শে নিজেকে তৈরি করে জাতির জন্য আদর্শের প্রতীক হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান সম্পর্কে বক্তব্য শুনলেই বুঝা যায় স্পষ্ট ক্লিয়ার ম্যাসেজ।সুতরাং কোনো সংশয় নেই এই অভিযান নিয়ে।সততার কাছে সব কিছুই পরাস্ত হয়,সেটা একদিন পরে বা আগে।সত্যের জয় হবে।শেখ হাসিনার রাজনীতির কাছে কোনো অশুভ শক্তি কোনোদিন কোনো সময় টিকেনি ও টিকতে পারবেও না। তিনি বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যক্তি।তিনি সেই ক্ষমতা বিশ্বের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে চলছেন। শেখ হাসিনা সততা আদর্শ কমিটমেন্টের কাছে কোনো কমপ্রোমাইজ করেননি আর ভবিষ্যতেও করবেন না।তিনিই এখনই বিশ্বের ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্র্রনায়ক। জাতির স্বপ্নসারথি ও বাস্তবায়নের অগ্রনায়ক। শেখ হাসিনার হাতে থাকলে দেশ শান্তি উন্নয়নে নিরাপদে থাকবে পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে উজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মের জন্য ও আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাংলাদেশ তৈরি হবে শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে। সকল অশুভ শক্তির বিনাস ঘটুক শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে।
বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ আর শেখ হাসিনা মানেই উন্নত সমৃদ্ধশালী পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলার বাস্তবায়ন এবং আত্মমর্যাদাশীল জাতি।মানুষের ভালোবাসা দোয়া সবই আছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর।
লেখক : সাবেক সহ-সভাপতি- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় সংসদ।