শহীদ শেখ রাসেল এর ৫৭তম জন্মদিন

এইচ এম মেহেদী হাসান ঃ  সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্হপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিয়সী নারী, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেল এর ৫৭তম জন্মদিন। তখন হেমন্তকাল, সময়টা ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নবান্নের নতুন ফসলের উৎসবে আগমন নতুন অতিথির। এ যেন বাঙালির বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ার।ধানমন্ডির সেই ঐতিহাসিক ও ভয়ানক ৩২ নম্বর রোডের বাসায় শেখ হাসিনার রুমেই রাত দেড়টায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। শেখ রাসেল এর আগমনে পুরো বাড়ি জুড়ে বয়ে যায় আনন্দের জোয়ার। একটু বড়সড়ই হয়েছিল শেখ রাসেল। জন্মের কিছুক্ষণ পরেই সকলকে জানানো হয়। পরে বোন শেখ হাসিনা এসে তাঁর ওড়না দিয়ে ভেজা মাথা পরিষ্কার করে দেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিখ্যাত নোবেল বিজয়ী দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের ভক্ত। তাঁর অনেক বই তিনি পড়েছেন। বাট্রান্ড রাসেল কেবলমাত্র একজন দার্শনিকই ছিলেন না বিজ্ঞানীও ছিলেন। ছিলেন পারমাণবিক যুদ্ধ বিরোধী আন্দোলনের একজন বড় মাপের বিশ্ব নেতাও। বিশ্ব শান্তি রক্ষার জন্যে বাট্রান্ড রাসেল গঠন করেছিলেন -“কমিটি অব হানড্রেড”। শেখ রাসেলের জন্মের দু’বছর পূর্বে ১৯৬২ সালে কিউবাকে কেন্দ্র করে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ক্রুশ্চেফ এর মধ্যে স্নায়ু ও কূটনৈতিক যুদ্ধ চলছিল। যেটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই বিশ্বমানবতার প্রতীক হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন বিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল। আর তারই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গবন্ধুু তাঁর কনিষ্ঠ পুত্রের নাম রাখেন শেখ রাসেল। শিশু শেখ রাসেল ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করে। শেখ রাসেলের জন্মের পর থেকেই বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নানান কারণে জেল হাজতে থাকতো হতো ( বাঙালি জাতির স্বাধীকার ও স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুুকে জীবনের বেশিরভাগ সময়েই কারাগারে থাকতে হয়েছি)। তাই শিশু শেখ রাসেলের বাবার সানিধ্য পাবার সুযোগ খুব কমই হয়েছে। শেখ রাসেলের সব থেকে প্রিয় সঙ্গী ছিলো তাঁর হাসুপা(শেখ হাসিনা) । তার সমস্ত সময়ই জুড়ে ছিল হাসুপা। শেখ রাসেল হাসুপা’র চুলের বেনী ধরে খেলতে পছন্দ করতো। সে চুল ধরে নাড়াতো আর ফিক ফিক করে হাসতো। শেখ রাসেলের হাটা শুরুও হাসুপা’র হাত ধরেই তাও আবার একদিনেই। এটি একটি বিরল ঘটনা। আসলে শেখ রাসেলের সবকিছুই একটু ব্যতিক্রম ছিলো, শিশুকালেই তার ব্যক্তিত্ব উন্মোচিত হয়, আর থাকবে নাই বা কেন ? সে যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র। তাঁর শরীরের প্রতিটি শিরায় উপশিরাতেই ছিলো ব্যতিক্রমতা। বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমান এর বাসায় একটি পোষা কুকুর ছিলো টমি নামে। সবার সঙ্গে খুব বন্ধুত্ব ছিল। ছোট্র শেখ রাসেলও টমিকে নিয়ে খেলতো। একদিন খেলতে খেলতে হঠাৎ টমি ঘেউ ঘেউ করে ডেকে ওঠে, রাসেল ভয় পেয়ে যায়। কাঁদতে কাঁদতে শেখ রেহানার কাছে এসে বলে, টমি বকা দিয়েছে। তাঁর কথা শুনে বাসার সবাই তো হেসেই খুন। টমি আবার কিভাবে বকা দিল। কিন্তু শেখ রাসেল বিষয়টি খুব গম্ভিরভাবই নিয়েছিল। টমি তাকে বকা দিয়েছে এটা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না, কারণ টমিকে সে খুব ভালোবাসতো। হাত ধরে খাবার দিতো। নিজের পছন্দমতো খাবারগুলো টমিকে ভাগ দেবেই,কাজেই সেই টমি বকা দিলে দু:খ তো পাবেই। শেখ রাসেল তার বাবাকে পাবার সুযোগ খুব কমই হয়েছে, তাই বাবাকে যখনই কাছে পেত সারাক্ষণ তার পাশে ঘোরাঘুরি করত। খেলার ফাঁকে ফাঁকে বাবাকে এক পলকের জন্য হলেও দেখে আসতো। এরই মাঝে জন্ম হয় শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের। জয়কে পেয়ে তো রাসেল মহা খুশি। সে তার খেলার নতুন এক সঙ্গী পেয়েছে। সারাটা সময়জুড়েই জয়ের সাথে মেতে থাকতো শেখ রাসেল। এরই মধ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু শেখ রাসেলের তার নিজেকে নিয়ে চিন্তা নেই, তার সমস্ত চিন্তা জয়কে নিয়ে। কারণ তাঁদের বাসার ছাদে বাংকারের মেশিন বসানো ছিলো। ফলে দিনরাত গোলাগুলিতে প্রচন্ড আওয়াজ হতো আর তাতে শিশু জয় বারবার কেঁপে কেঁপে ওঠতো। আর এ ব্যাপারে রাসেল খুবই সচেতন ছিলো। যখনই সাইরেন বাজতো বা আকাশে মেঘের মতো আওয়াজ হতো, শেখ রাসেল তুলা নিয়ে এসে জয়ের কানে গুঁজে দিতো। সব সময় পকেটে তুলা রাখতো।রাসেলের মাছ ধরার খুব শখ ছিল, কিন্তু সে মাছ ধরে আবার তা পুকুরেই ছেড়ে দিতো। এতেই সে মজা পেতো। আসলে এটাই তাঁর খেলা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো স্কুলে যাবার ব্যাপারে রাসেলের আপত্তি ছিল, রাসেলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি স্কুলে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু তার স্কুলে যাবার ব্যাপারে ছিলো আপত্তি। মাঝে মাঝেই সে স্কুলে যেতে চাইতো না। পরে তাকে পড়ানোর জন্য একজন ভদ্র মহিলাকে নিযুক্ত করা হয়। রাসেল তার কাছেই পড়া শিখতো। আর রাসেলও তার শিক্ষিকার সুবিধা-অসুবিধার খেয়াল রাখতো। রাসেলের ছিলো নেতৃত্বসুলভ আচরণ। ঢাকায় তার খেলার সাথী তেমন একটা ছিলো না কিন্তু যখন তারা টুঙ্গিপাড়ায় বেড়াতে যেত, সেখানে তার খেলার সাথী ছিলো অনেক। সেই বাচ্চাদের জড়ো করতো এক জায়গায়, তাদের জন্য খেলনা বন্দুক বানাতো আর সেই বন্দুক হাতেই তাদের প্যারেড করাতো। আসলে রাসেলের পরিবেশটাই ছিলো এমন। রাসেলের খুদে বাহিনীর জন্য জামা-কাপড় ঢাকা থেকেই কিনে দিতে হতো। প্যারেড শেষে সবার জন্য খাবারের ব্যবস্হা থাকতো। তখন যদি শেখ রাসেলকে কেউ জিজ্ঞেস করতো বড় হয়ে তুমি কি হবে? রাসেল বলতো ‘ আর্মি অফিসার হবো ‘। শেখ রাসেল পোষাকের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলো। নতুন পোষাক খুব পছন্দ করতো। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুু যে পোষাক পরতো রাসেলও তা পছন্দ করতো বলতে গেলে অনুসরণ করতো। বিভিন্ন সময়েই রাসেল তার বাবার সাথে নানান প্রোগ্রামে যেত তাই তার মা রাসেলকে একটা প্রিন্স স্যুট বানিয়ে দেন যাতে বাবার সাথে তাকে খুব সুন্দর মানায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাপান বাংলাদেশকে নানানভাবে সাহায্য করে,তাই যুদ্ধ শেষে অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হবার পরে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর রহমানের গোটা পরিবারকেই জাপানে আমন্ত্রণ জানায়, বিশেষ করে শেখ রাসেলের কথা উল্লেখ করে। সেই সফরে রাসেল ও তার বোন শেখ রেহানা জাপান যায়। সেখানে রাসেলের জন্য বিশেষ কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়। সেই সফরে রাসেল অনেক আনন্দ করেছিলো। সারাটা সময় রাসেল সেখানে খুব ব্যস্ত সময়ই পার করে কিন্তু রাতে তার মায়ের কথা খুব মনে পরতো,ফলে তার মন খারাপ হয়ে যেত। একবার রাসেলের বড় একটি এক্সিডেন্ট হয়। তখন রাসেলের ছোট একটি সাইকেল ও একটি ছোট মপেট মোটরসাইকেল ছিলো। সেটি নিয়ে সে কখনও বাসায় কখনও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতো। পাশের বাসার দুটো ছেলে আদিল ও ইমরান দুই ভাই রাসেলের সঙ্গে খেলতো। একদিন মপেট মটরসাইকেল চালানোর সময় রাসেল পরে যায় আর তার পা সাইকেলের সঙ্গে আটকে যায়, সাইকেলের পাইপের সাথে। তখন হাসুপা (শেখ হাসিনা) রাসেলের কান্নার আওয়াজ পেয়ে চিৎকার করে সবাইকে ডাকে। সেই ক্ষতটা অনেক গভীর ছিলো, অনেকদিন পর্যন্ত সে ঘা শুকায়নি। পরে বঙ্গবন্ধুুর অসুস্হতার কারণে তাঁকে রাশিয়া যেতে হয় চিকিৎসার কারণে তখন রাসেলের পায়ের চিকিৎসাও করানো হয়। সময়টা ১৯৭৫ আগস্টের কিছুদিন আগে। হাসুপা (শেখ হাসিনা) তাঁর স্বামীর কাছে জার্মানি চলে যাবেন। সাথে বোন শেখ রেহানাও যাবে। অবশ্য হাসুপা(শেখ হাসিনা) তার সঙ্গে রাসেলকেও নিতে চেয়েছিলেন কিন্তু তখন শেখ রাসেলের শরীরের অবস্হা খুব ভালো ছিলো না, তার জন্ডিস ধরা পরেছিল। তাই সেদিন আর রাসেলের তার হাসুপা’র (শেখ হাসিনা) সাথে যাওয়া হয়নি। আর এটাই হয়তো শিশু শেখ রাসেলের জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। ঐদিন শিশু শেখ রাসেল যদি হাসুপা’র (শেখ হাসিনার) সাথে জার্মানি যেত তাহলে হয়তো তাকে অমানবিকভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন দিতে হতো না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে শিশু শেখ রাসেল মায়ের কোল ঘেঁষে ঘুমিয়ে ছিল। মানুষ নামের জঘন্য কুকুর খুনি মোস্তাক ও খুনি জিয়ার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুু শেখ মুজিবুর মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই রাতে নিষ্ঠুর ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শিশু শেখ রাসেলও ।

মৃত্যুকালে শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তাকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধি বোধসম্পন্ন মানুষের কাছে ভালোবাসার নাম। শুভ জন্মদিন বলে আমরা যাকে উইস করি সেই ছোট্ট শেখ রাসেল ৭৫ এর নরপিশাচদের হাতে ৮ বছর বয়সেই নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলো।ছোট্ট রাসেলের বয়স ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের পর আর বাড়তে পারে নাই।তার বয়স এখনো ৮ বছরই রয়ে গেলো। তাহলে শুভ হোক বলে যে শুভ কামনা করি আমরা এই শুভ কামনা কার জন্য?? শেখ রাসেল তো নাই!! শেখ রাসেলের পক্ষ থেকে তার জন্মদিনের এই শুভ কামনা হোক পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য। আর যেন কোন শিশুর বয়স থেমে না যায়। কোন শিশুকেই যেন এমন একটি ভয়ংকর রাতের মুখোমুখি না হতে হয়।আর কোন শিশুকেই যেন ভয়ে মায়ের কাছে যাবার আকুতি করতে না হয়।শিশু হত্যা মানবাধিকার সীমা লঙ্ঘন।তবুও রাসেল কে হত্যা করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায় খুব কাছ থেকে গুলি করে। যারা হত্যা করেছে তারা ছিলো সুশিক্ষিত-প্রশিক্ষিত সামরিক অফিসার।শুধু মাত্র বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির পিতার রক্তের ধারাপ্রবাহ তার ধমনীতে ছিলো বলে রাসেল’কে এভাবে জীবন দিতে হয়েছিলো।প্রতিটি শিশু হত্যার বিচার অত্যন্ত কঠোর ভাবে করা হোক। বিশ্বব্যাপী এ আইন কার্যকর এখন সময়ের দাবী। শেখ রাসেল বেচে থাকুক প্রতিটি শিশুর শৈশবে। মৃত্যুকালে শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তাকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধি বোধসম্পন্ন মানুষের কাছে ভালোবাসার নাম। শুভ জন্মদিন বলে আমরা যাকে উইস করি সেই ছোট্ট শেখ রাসেল ৭৫ এর নরপিশাচদের হাতে ৮ বছর বয়সেই নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলো।ছোট্ট রাসেলের বয়স ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের পর আর বাড়তে পারে নাই।তার বয়স এখনো ৮ বছরই রয়ে গেলো। তাহলে শুভ হোক বলে যে শুভ কামনা করি আমরা এই শুভ কামনা কার জন্য?? শেখ রাসেল তো নাই!! শেখ রাসেলের পক্ষ থেকে তার জন্মদিনের এই শুভ কামনা হোক পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য। আর যেন কোন শিশুর বয়স থেমে না যায়। কোন শিশুকেই যেন এমন একটি ভয়ংকর রাতের মুখোমুখি না হতে হয়।আর কোন শিশুকেই যেন ভয়ে মায়ের কাছে যাবার আকুতি করতে না হয়।শিশু হত্যা মানবাধিকার সীমা লঙ্ঘন।তবুও রাসেল কে হত্যা করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায় খুব কাছ থেকে গুলি করে। যারা হত্যা করেছে তারা ছিলো সুশিক্ষিত-প্রশিক্ষিত সামরিক অফিসার।শুধু মাত্র বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির পিতার রক্তের ধারাপ্রবাহ তার ধমনীতে ছিলো বলে রাসেল’কে এভাবে জীবন দিতে হয়েছিলো।প্রতিটি শিশু হত্যার বিচার অত্যন্ত কঠোর ভাবে করা হোক। বিশ্বব্যাপী এ আইন কার্যকর এখন সময়ের দাবী। শেখ রাসেল বেচে থাকুক প্রতিটি শিশুর শৈশবে