শরীয়তপুর ডামুড্যা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল ফসলি জমি

মোঃ ফারুক হোসেন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি : শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তিদের কারণে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। তারা বিভিন্ন কৌশলে সাধারণ কৃষকদের অর্থের লোভ দেখিয়ে, ফসলি জমি কেটে মাছ চাষের ঘের তৈরি করছে। তবে জেলার ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)র সহায়তায় রক্ষা পেল বেশ কয়েকটি কৃষকের ফসলি জমি।
এক কৃষকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আদাশন গ্রামের, চর শিধলকুড়া মৌজায় অবস্থিত মাঠে, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি, মিঠু হাওলাদার, আজাহার হাওলাদার গং, উপজেলা প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে, গরিব কৃষকদের ফসলি জমি জবরদখল করে কেটে মাছের ঘের তৈরি করছে। সেখানে ৩০ বছর যাবত ইরি ধান রোপণ করে আসছে কৃষকরা। এমত অবস্থায় আব্দুল লতিফ সরদার নামক এক কৃষক, জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি লিখিত অভিযোগ করে।
কৃষকরা বাধা দেয়া সত্বেও জোরপূর্বক ফসলি জমি কাটা হচ্ছে, এমন সংবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মর্তুজা আল-মুঈদ তাৎক্ষণিক পুলিশ প্রশাসনসহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে ঘটনাস্থলে পাঠান।
 সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে গেলে, মাছের ঘের কাটার মূলহোতা মিঠু হাওলাদার পালিয়ে গেল ও তার সহযোগী আজাহার হাওলাদারকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ, জেলায় কেউ ফসলের জমি কাটতে পারবে না। এখানে ফসলি জমি কাটা হচ্ছে এমন সংবাদে আমরা এখানে এসেছি। জমি কাটার মূলহোতা মিঠু হাওলাদার কে পাইনি। তবে তার সহযোগী আজাহার হাওলাদারকে পাওয়া গেছে। তাকে আমরা নিয়ে যাচ্ছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মর্তুজা আল মুঈদ বলেন, আমরা ফসলি জমি কেটে কাউকে মাছের ঘের তৈরি করার অনুমতি দেই না। ফসলি জমি কেটে মাছের ঘের তৈরি করার অপরাধে আজাহার হাওলাদার নামের এক ব্যক্তিকে ধরে আনা হয়েছে। মূলহোতা মিঠু হাওলাদার কে খোঁজা হচ্ছে। তবে আইন অমান্য করে সে আর মাটি কাটবে না, এমন মুচলেকা দেয়ায়, প্রাথমিক ভাবে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।