চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং (সিআরবি) এলাকায় সিআরবি পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামের প্রধান এই হাসপাতাল।
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কোতোয়ালী থানার অধীনে টাইগার পাস সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চলীয়) মহাব্যবস্থাপকের নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়। ১৮৭২ সালে সম্পূর্ণ হওয়া ভবনটি, বন্দর নগরীর প্রাচীনতম ভবন। এর পূর্বদিকে, সিআরবি সড়ক জুড়ে রয়েছে রেলওয়ে হাসপাতাল যা ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।এখানে একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাবনা ছিল এবং বর্তমানে যা ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে।
একসময় চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতালের সুনাম জেলার গন্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের আনাচে-কানাচে। রেলওয়ের নিজস্ব স্টাফদের পাশাপাশি বহিরাগতরাও কম খরচে এখানে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পেতেন। এখন রোগীদের চলাচল কমে যাওয়ায় হাসপাতালটি তার গুরুত্ব হারিয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি যন্ত্রপাতি সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। অপারেশনের জন্য কোন যন্ত্রপাতি নেই।
গাইনী বিভাগ, সার্জারি বিভাগ ও মেডিসিন বিভাগে কোনো রোগী ও চিকিৎসক দেখা যায়না।
বাংলাদেশ রেলওয়ে চিকিৎসা বিভাগের জন্য গত ২৫ জানুয়ারী একটি ঐতিহাসিক দিন ছিল । প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা/পূর্ব ডা: ইবনে সফি আবদুল আহাদ এর একান্ত প্রচেষ্ঠায় রেলওয়ে হাসপতাল, চট্টগ্রামে স্থাপিত 500 mA ডিজিটাল এক্স-রে এবং অটোমেটেড বায়োকেমিস্ট্রি, হেমাটোলজি এনালাইজার সমৃদ্ধ ডিজিটাল ল্যাবরেটরী এর শুভ উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা-পরিচালক মো : কামরুল আহসান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মো: নাজমুল হাসান জিএম/পূর্ব, আহম্মেদ মাহবুব চৌধুরী, রেক্টর, ডা: ইবনে সফি আবদুল আহাদ সিএমও/পূর্ব, ডা: আনিসুল হক সিএমও/ পশ্চিম, মো: সাইফুল ইসলাম ডিআরএম,চট্টগ্রাম, ডা: শিবু নাথ , ডিএমও/ চট্টগ্রাম, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কার্য্যকরী সভাপতি শেখ মো: লোকমান হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তা -কর্মচারীবৃন্দ।
Leave a Reply