যেসব অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হতে পারে

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ অন্যতম। সর্বশেষ প্রাইভেসি পলিসি পরিবর্তনের পর থেকে অ্যাপটির ব্যবহারকারীরা খুব একটা খুশি নন। নতুন পলিসিতে বলা হয়েছে, হয় ব্যবহারকারীর নিজের তথ্য ফেসবুকের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে নয়তো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার ছাড়তে হবে। এ কারণে হোয়াটস অ্যাপের বিকল্প খুঁজছেন কেউ কেউ। আপনিও বিকল্প হিসেবে এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারেন-
টেলিগ্রাম
টেলিগ্রামকে হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে ভালো বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপে যেসব ফিচার রয়েছে তার সবই টেলিগ্রামে পাওয়া যাবে। এগুলোর পাশাপাশি টেলিগ্রামের এক্সক্লুসিভ ফিচার হিসেবে রয়েছে সুপার গ্রুপস যেখানে সর্বোচ্চ এক লাখ মানুষকে যুক্ত করার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া অ্যাপটিতে এক দশমিক পাঁচ গিগা পর্যন্ত ফাইল শেয়ার, পাবলিক চ্যানেল, পাসকোড লক, সেলফ ডেসট্রাকটিং মেসেজসহ আরও অনেক ফিচার পাবেন ব্যবহারকারীরা। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং উইন্ডোজ তিন প্লাটফর্মেই ব্যবহার করা যাবে।
সিগন্যাল
হোয়াটসঅ্যাপের ভালো আরেকটি বিকল্প হতে পারে ‘সিগন্যাল’। যারা নিজেদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে চান তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন। ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপে অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তি সরবরাহে কাজ করে সিগন্যাল ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব মেসেজিং অ্যাপ ‘সিগন্যালে’ রয়েছে বেশ কিছু সুরক্ষা সুবিধা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি হলো সেলফ ডেসট্রাকটিং মেসেজস এবং স্ক্রিন সিকিউরিটি। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএসে ডাউনলোড করা যাবে।
ডিসকর্ড
ডিসকর্ড অ্যাপটিকে গেমারদের একটি প্লাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এটিকে আপনি হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হিসেবে চ্যাটিংয়ের কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যক্তিগত মেসেজ, জিআইএফ, ছবি এবং বিভিন্ন ডকুমেন্ট পাঠাতে ডিসকর্ড ব্যবহার করা যাবে। হোয়াটসঅ্যাপের মতো ভিডিও এবং অডিও কলের সুবিধাও এতে রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা এটি ডাউনলোড করতে পারবেন।