যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্বপ্নীল সজীব ও সামিউল ইসলাম পোলাক এর যুগলবন্দী।

মোঃ রাকিব হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ  গত ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে অবস্থিত আমেরিকান দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত মিউজিক বাজ নামক একটি অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন এবং কবিতা আবৃত্তি করেন বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুই শিল্পী স্বপ্নীল সজীব এবং সামিউল ইসলাম পোলাক। উক্ত অনুষ্ঠানটি মূলত পরিচালনা করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যেখানে বাংলাদেশ থেকে শুধু মাত্র দু’জন শিল্পী এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক এলি, পাইপলাইন প্রকল্প প্রজেক্ট জেসিকার ইন স্ট্রিং কুইন্স সহ বিখ্যাত সব শিল্পীরা পরিবেশন করেন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, বাংলার গান, আমাদের মাটির গান এবং দেশাত্ব পর্যায়ে বিভিন্ন গান নিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজিয়েছেন স্বপ্নীল সজীব। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের এই সংগীতশিল্পী বর্তমানে উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় সংগীত অনুষ্ঠান নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স NABC Global নামক বিশ্বসেরা এই মঞ্চে বাংলাদেশ থেকে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র,মরক্কো, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের সংগীত পরিবেশন করে থাকেন। আমেরিকান দূতাবাস কর্তৃক উক্ত অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন পর্যায়ের কবিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত কবিদের কবিতা নিয়ে আবৃত্তি পরিবেশন করেন সামিউল ইসলাম পোলাক। সামিউল ইসলাম বাংলাদেশের অন্যতম একজন বাচিক শিল্পী। তার প্রকাশিত অ্যালবাম “ইতি রবীন্দ্রনাথ” ভারতীয় হিন্দুস্থান রেকর্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে যেটি সারাবিশ্বে তাকে পৌঁছে দিয়েছে এক অন্যরকম মাত্রায়। রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন পর্যায়ের কবিতা এবং গান দিয়ে সাজানো ছিল তার এই অ্যালবাম যেটি সমাদৃত হয় সারা বিশ্বে। এছাড়াও প্রতিবছর ভারতীয় দূতাবাসের আমন্ত্রণে আমেরিকান দূতাবাস এবং অন্যান্য দেশের আমন্ত্রণে এই শিল্পী বিভিন্ন জায়গায় পারফরম্যান্স এবং তাঁর কবিতা দিয়ে সমাদৃত হয়েছে মানুষের হৃদয়ে। বর্তমানে দ্রুপদ থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সাথে তার একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেটি আমেরিকান একটি সংস্থা ধ্রুপদ থেকে প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের এই দুই গুণী শিল্পী আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে তারা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত সুদূর আমেরিকায় বাংলাদেশের গানকে বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য তারা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে আমেরিকান দূতাবাসের প্রতি।