গত কয়েক দিনের ব্যাপক ভাঙনে ওই এলাকার অর্ধশত পরিবারের বসতবাড়ি নদীর গর্ভে চলে গেছে। এছাড়াও রাস্তাঘাট,জনবসতি,ফসলি জমি, হাট বাজার,স্কুল,মাদরাসা,মসজিদ হুমকির মুখে।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গেলে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে, ভাঙ্গনের শিকার জবেদ আলীসহ একাধিক লোকজন জানান,গত কয়েক দিন ধরে হঠাৎ যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গনে আমরা বিপাকে আছি।
যমুনা দ্বীপচর সাপধরী ইউনিয়নের কালিরচর, কঠাপুর,মন্ডলপাড়া,জোরডোবা,শিশুয়া, চরশিশুয়া, প্রজাপতিচর,কাশারিডোবায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। ওই সব বন্যা কবলিত এলাকাবাসি নৌকা যুগে ঘরবাড়ির মালামাল নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।
নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার রুমান হাসান জানান, যমুনা নদী পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার এলাকা কাটমা ব্যাপক ভাংগনে শিকার হচ্ছে অনেক পরিবার।বিষয়টি আমি ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি মহোদয় ও জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান রোমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান,বিষয়টি আমি পানি উন্নয়ন
বোর্ডের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিবো।
Leave a Reply