মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের যাত্রা শুরু

দ্রুততার সঙ্গে দেশে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও গুণগত মানের মোবাইল সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের যাত্রা শুরু হলো। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বৃহস্পতিবার রাতে সামিট কমিউনিকেশন্স ও মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের মধ্যে টাওয়ার শেয়ারিং সেবা উদ্বোধন করার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরুর ঘোষণা দেন। এ উপলক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দআজকের এই যাত্রা কোয়ালিটি অব সার্ভিসের (সেবার মান) ক্ষেত্রেও একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে চারটি কোম্পানির স্বাক্ষরিত টাওয়ার শেয়ারিং চুক্তির গৃহীত উদ্যোগের যাত্রা শুরু হলো।’ এর ফলে বিশাল বিনিয়োগনির্ভর টেলিকম খাতে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজটি যেমন সহজ হয়েছে, তেমনই গুণগত মানের মোবাইল সেবাদানের বিষয়টিও অপারেটরদের জন্য সহজ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘মোবাইল সেবার মান বাড়াতে স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) শিগগিরই নিলাম করা হবে।’ অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আফজাল হোসেন, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান, বাংলালিংকের গ্রুপ চেয়ারম্যান সার্গে হেরিরিরো, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী এরিক অস এবং সামিট টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফরিদ খান বক্তৃতা করেন। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে পৃথিবীর যেকোনও দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ একবিন্দুও পিছিয়ে থাকবে না উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘যে জাঁতি অতীতে তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেছে, সে জাঁতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্বের জন্য তৈরি হয়েছে।’ মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে বাংলাদেশের এমন কোনও গ্রাম থাকবে না, যেখানে উচ্চগতির ইন্টারনেট থাকবে না।’ আগামী দিনের শিল্পকারখানা ফাইভ-জি প্রযুক্তিনির্ভর হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ফাইভ-জি চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের অবকাঠামো তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেলিকম অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার প্রশংসা করেন।