মহেশখালীতে করোনায় কাঁকড়া রপ্তানী বন্ধ বেকার হচ্ছেন হাজারও,অধিক মানুষ!

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের মহেশখালী কক্সবাজার: করোনার নেতিবচক প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম খাত কাঁকড়া শিল্পে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
বন্ধ হতে বসেছে কক্সবাজার জেলা  মহেশখালী,কুতুবদিয়া,চকরিয়ার,টেকনাফের
 সহস্রাধিক কাঁকড়া খামার।
করোনাকাল্পে রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিল্পের সাথে জড়িত খামারী,ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার শ্রমিকরা রীতিমত বেসামাল হয়ে পড়েছেন।
রেকর্ড পরিমাণ লোকসান কাটিয়ে খামারগুলোকে কোন রকম টিকিয়ে রাখাও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প আন্তর্জাতিক বাজার সৃষ্টির পাশাপাশি সরকারের সর্বাতাক সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।
দীর্ঘ করোনাকালে অব্যাহত লোকসানের মুখে ইতোমধ্যে ছোট-বড় বহু খামার বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি বদলে লোকসান কাটিয়ে উঠতে অনেকেই কোন রকম টিকে থাকলেও অতিদ্রুত পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে যেকোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার স্থানীয় বাজার দর। গত বছরের মার্চে চীনে কাঁকড়া রপ্তানি বন্ধ হলে মূর্তেই দরপতন ঘটে কাঁকড়ার। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অব্যাহত লোকসানের মুখে চলতি বছর অধিকাংশ খামারে বন্ধ হতে পারে সম্ভাবনাময় কাঁকড়া চাষ।
সংশ্লিষ্টরা জানান,মহেশখালী অধিকাংশ খামারীরা বিভিন্ন এনজিও অথবা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে খামার পরিচালনা করে থাকেন।
করোনা কালে রফতানি বন্ধ থাকায় পাওনাদারদের ঋণ পরিশোধে তাগিদ এড়াতে অনেকেই খামার টিকিয়ে রেখেছেন। খামার বন্ধ করলে দেনাদারদের চাপ বাড়তে পারে আবার খামার টিকিয়ে রাখতে লোকসানের পাশাপাশি ঋণের পাল্লা ভারী হচ্ছে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে রীতিমত দিশেহারা হয়ে  পড়েছেন তারা।
ইতিপূর্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারী হিসেবে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
তবে খামারিরা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্ত খামারীর তুলনায় সরকারের এ সহায়তা নিতান্তই অপ্রতুল।