মহেশখালীতে আতাউল্লাহ গং কতৃক পিতা পুত্রের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের! নিরাপত্তাহীনতায় বাদীর পরিবার!

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, মহেশখালী কক্সবাজার ২৫ জুলাই ২০২১ ইং
মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আলোচিত আতাউল্লাহ গং কতৃক পিতা পুত্রের উপরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবিলা এলাকার মৃত মকবুল আহম্মদ এর পুত্র আতা উল্লাহ খাঁন(৪৯)কে প্রধান আসামী করে ৭ জনের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় ১টি এজাহার দায়ের করেছেন,একই এলাকার মাষ্টার নাছির উল্লাহ খাঁনের পুত্র সাইফুল খাঁন (২১) মামলার বাদী সাইফুল খাঁন জানান- আসামীদের হুমকির মুখে বর্তমানে  নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তার পরিবার! থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়- আতাউল্লাহ গংদের সাথে সাইফুল খাঁনদের মধ্যে বসত ভিটা সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব হইতে বিরোধ চলে আসছিল। গত ২২ জুলাই সকাল অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় উক্ত বিরোধের জের ধরে আসামীরা দা,লোহার রড,হাতুড়ি ও লাঠিসোটা ইত্যাদি মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র সহকারে  বে-আইনি জনতায় দল ঘঠন পূর্বক সাইফুল খাঁন (২১) বসত ভিটাতে অনধিকার প্রবেশ করতঃ ঘেরা,বেড়া এবং দোকান ঘর ভাংচুর করতে থাকে। ইহাতে সাইফুল খাঁন (২১) বাঁধা প্রদান করিলে আসামীরা তাকে লোহার রড,হাতুড়ি ও লাঠিসোটা ইত্যাদি দ্বারা এলোপাতাড়ি নির্মম ভাবে মারপিট করতঃ বাম চোখে,পিটে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর ফুলা ও রক্তাক্ত জখম করিতে থাকে। তার শোর চিৎকার শুনিয়া বৃদ্ধ পিতা মাষ্টার নাছির উল্লাহ খাঁন আসামীদের কবল হতে তাকে উদ্ধারের জন্য আগাইয়া আসলে তাকেও মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মহেশখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আঘাত গুরুতর দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। আহতরা বর্তমান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় – ৮ শতক জমি নিয়ে আপন ভাই -চাচা ভাতিজাদের এমন নেক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। মাষ্টার নাছির উল্লাহ খাঁন ও তার পুত্র সাইফুল খাঁন (২১)তাদের মালিকানাধীন ৮ শতক জমিতে সীমানা বেড়া দিতে ৩ বছর আগে বাধা দিয়েছিল চাচা আতাউল্লাহ খান ও বোরহান। পরবর্তীতে সামাজিক ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের মধ্যেস্থাতায় বৈঠক ও থানায় বৈঠকে আইনীভাবে কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আতা উল্লাহগং জমির মালিকানা দাবী করতে পারেনি। ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সভাপতি, ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে সবাই অবগত। সর্বশেষ দোকানঘর নির্মানে বাধা-প্রদান করলে আইনের আশ্রয় নেন নাছির উদ্দিনের পরিবার। উভয়পক্ষকে নিষ্পত্তির জন্য জমির দলিল নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়, এস আই আল-আমিন,শাহাদত  এস-আই মনিষের পক্ষ থেকে জানানো হলে আতাউল্লাহ খান ও বোরহান গং রা সুষ্ঠু কোনো দলিল দাখিল করতে পারেনি বলে দাবী করেন মাষ্টার নাছির উদ্দীন। মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত) মোঃআসিক ইকবাল বলেন- জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে ভাই,ভাই ও ভাতিজাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ছিল। এর জের ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে শুনেছি। উক্ত ঘটনায় দুটি এজাহার পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।