1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
ভোমরা বন্দরে দুই মাসে ৬৮ কোটি ২১ লক্ষ টাকা মূল্যের ১০,৭৭২ মেট্রিকটন কাঁচাঝাল আমদানি - দৈনিক আমার সময়

ভোমরা বন্দরে দুই মাসে ৬৮ কোটি ২১ লক্ষ টাকা মূল্যের ১০,৭৭২ মেট্রিকটন কাঁচাঝাল আমদানি

সিরাজুল ইসলাম সাতক্ষীরা
    প্রকাশিত : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রতিদিন রান্নার জন্য মসলা জাতীয় সামগ্রীর মধ্যে কাঁচা ঝাল একটি প্রধান উপাদান। বাঙালির ঘরে ঘরে রান্নার উপকরণ হিসেবে কাঁচা বা শুকনো ঝালের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা, নিত্যপন্যের বাজারে কাঁচা ঝালের চাহিদা অনেক বেশি। শুকনো বা গুঁড়া ঝালের চাহিদার পাশাপাশি কাঁচা ঝাল কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ অধিক। কাঁচা ঝাল দিয়ে রান্না করা সবজি খেতে অনেকেই অভ্যস্ত। দেশে যে পরিমান কাঁচা ঝাল উৎপাদন হয়, তা দিয়ে কয়েক মাসের চাহিদা পূরণ হয়। বাকী মাসগুলোর চাহিদা মেটাতে সরকার পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে কাঁচা ও শুকনো ঝাল আমদানি করে থাকে।
রান্নার কাজে ব্যবহৃত কাঁচা ঝালের চাহিদা মেটাতে সরকার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চলতি বছরের জুলাই থেকে আমদানিকারকদের কাঁচা ঝাল আমদানির অনুমতি দেয়। অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গত ৭ জুলাই থেকে ভোমরা বন্দর ব্যবহার করে ভারত থেকে ৮৭৭ ট্রাকে ১০ হাজার ৭৭২ মেট্রিকটন কাঁচা ঝাল আমদানি করে। যার আমদানি মূল্য হলো ৬৮ কোটি ২১ লাখ ২২ হাজার ৪৫৫ টাকা। স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখার কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বন্দর ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পর্যাপ্ত কাঁচা ঝাল আমদানি হলেও গ্রাম বা শহর অঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে সরবরাহ একেবারই কম। ফলে এক কথায় বলা যায়, স্থানীয় কাচা বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি। ক্রেতা সাধারণ অভিযোগ করে বলেছেন, বন্দরে আমদানিকৃত কাঁচা ঝাল স্থানীয় হাট-বাজারে না আসায় ক্রয়মূল্যের পরিবর্তন হয়নি।

এখনও কেজি প্রতি কাঁচা ঝাল ১৪০টাকা থেকে ১৫০টাকায় কিনতে হচ্ছে। যা কিছুদিন আগেআগে প্রতি কেজি ৩০-৪০টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভূক্তভোগীরা বলেছেন, নিত্যপন্য কাঁচা ঝালের মূল্য স্থিতিশীল ও চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত পরিমান আমদানি করলেও সাধারণ ক্রেতারা ক্রয়মূল্যে সুবিধা পাচ্ছে না। গ্রামের অধিকাংশ হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, যেমন ভোমরা, শাঁখরা, ভাড়ুখালী, আলীপুর, ঘোনা, কাথন্ডা ও বৈকারীর বাজারে কোনো অংশে কমেনি কাঁচা ঝালের দাম। বরং দিন দিন মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া কমার কোন সম্ভাব না। একাধিক পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেছেন, আমদানিকৃত ঝালের লট জেলার বাইরে চলে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে এর তেমন কোন প্রভাব নেই। ফলে মূল্য কমার কোন সম্ভাবনা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com