ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতাল দখল

মোঃ আল মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: আত্বসাত করে নেয়া প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার বদলে উল্টো হাসপাতাল দখলের অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারী হাসপাতালের এক অংশীদারের বিরুদ্ধে। অন্যান্য অংশীদারদের মামলা-মোকদ্দমা ও সন্ত্রাসী দিয়ে মারধোরের ভয় দেখানো হচ্ছে। জেলা শহরের কুমারশীল মোড়ের গ্রামীন জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন তালুকদার নামে হাসপাতালের একজন মালিক গত ১১ই ফেব্রæয়ারী থানায় এই অভিযোগ দেন। এতে মাসুদ মিয়া,তার স্ত্রী আমেনা বেগম ও ছেলে ইকরাম হোসেনকে আসামী করা হয়। জানা যায়-কয়েকজন চিকিৎসকসহ মোট ২৮ জনের মালিকানা রয়েছে হাসপাতালটিতে। অংশীদাররা সবসময় হাসপাতালে সময় দিতে না পারার কারণে মাসুদ মিয়া নামের এক অংশীদারকে বেতন দিয়ে হাসপাতালের সকল হিসাব রাখার দায়িত্ব দেন। মাসুদকে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই তার ছেলে ইকরাম হোসেন ও স্ত্রী আমেনা বেগম এই হাসপাতালে বহিরাগত লোকজন নিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয় মামলার এজাহারে। সম্প্রতি হাসপাতালের সকল অংশীদারদের মতামতের ভিত্তিতে হাসপাতালের অংশীদার ও চিকিৎসক সাইফ উদ্দিন খান শুভ্রকে চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়। ওইসময় অংশীদারগণ মাসুদ মিয়ার কাছে হাসপাতালের হিসেব চাইলে তার কাছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আছে বলে তিনি স্বীকার করেন। কিন্তু এই টাকা ফেরত চাইলে মাসুদ টালবাহানা শুরু করেন। গত ৮ই ফেব্রæয়ারী সকালে মাসুদের কাছে পুনরায় টাকা চাইলে তিনি বহিরাগতদের দিয়ে হুমকি দেন৷ এসময় তার স্ত্রীকে দিয়ে নারী নির্যাতন মামলা করে জেল খাটাবেন বলেও অংশীদারদের হুমকী দেন। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে মাসুদ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, একটি অভিযোগের কথা জানতে পেরেছি। তবে কি অভিযোগ করা হয়েছে তা জানি না। সদর মডেল থানার একজন ইন্সপেক্টর হাসপাতালে এসেছিলেন। তিনি বলে গেছেন কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) ইশতিয়াক আহমেদ জানান, অভিযোগের বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। উভয় পক্ষকে তাদের নিজ নিজ কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলা হয়েছে৷