কক্সবাজারের দক্ষিণের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় এলাকা ও জেলে পল্লিগুলোতে শুঁটকি উৎপাদনের ব্যস্ততা বেড়েছে। জেলেরা বলছেন, জুন মাসে বর্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে তাঁরা কড়া রোদে বিষমুক্ত শুঁটকি তৈরি করছেন। শুঁটকি উৎপাদনকারী কয়েকজন জেলে জানান, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁরা এখন বিষ ও পোকামাকড় মুক্ত শুঁটকি উৎপাদন করছেন। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি বাজারে চাহিদাও বেড়েছে। এসব শুঁটকির মধ্যে রয়েছে ছুরি, লইট্যা, লাক্ষা, পোকামাছ, চিংড়ি, আইর, পাইস্যা, মাইট্যা ও রূপচাঁদাসহ বিভিন্ন মাছ। শুঁটকির উৎপাদন চলছে উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন, সেন্টমার্টিন, বাহারছড়া ও সদর ইউনিয়নের জেলে পল্লী ও সমুদ্র সৈকত এলাকায়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, “টেকনাফের শুঁটকির রয়েছে আলাদা মান ও স্বাদ। এ কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে এর চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় জেলেরা লাভবান হচ্ছেন।
Leave a Reply