বর্ডার হাটের বাদ পরা পুরাতন ক্রেতা কার্ড নবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে বর্ডার হাট ক্রেতা বঞ্চিত কমিটি।
সকাল থেকেই উপজেলা চত্বরে উপস্থিত হতে থাকে নবায়ন বঞ্চিতরা। সোমবার (১৯ জুন) সকাল ১১ টায় রাজিবপুর উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, রাজিনপুর রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর ফারুকী, রাজিবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল গোলাম মোস্তফা, রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা আওয়ামী যুব লীগের সভাপতি আজিবর রহমান, রাজিবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে,সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম (তারা),যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা (স্বপ্ন), বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, রাজিবপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই।
মানববন্ধন শেষে সবাইকে সাথে নিয়ে মানববন্ধন কারীদের পক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগঠিত সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া স্বারক লিপিটি তুলে দেন (ভারপ্রাপ্ত) ইউএনও মাহামুদুল হাসানকে।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,
বাংলাদেশ -ভারত দু’দেশের মধ্যে চোরাচালান রোধ ও সুসম্পর্ক রাখার জন্য ২০১১ইং সালে ২৩ জুন কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারী ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গাঢ়োহিল এর কালাইয়ের চরে বর্ডার হাট চালু করা হয়।
হাটটি চালু হওয়ার সময় বাংলাদেশের স্থানীয় ৫ কিলোমিটার বাসিন্দাদের মধ্যে ২৬৪০টি কার্ড ইস্যু করা হয়। পরবর্তী বছর কার্ড নবায়ন করার জন্য শুধুমাত্র নোটিশ বোর্ডে প্রচার করা হয়েছিল। জনগণের মাঝে বহুর প্রচার করার জন্য মাইকিং কিংবা ঢোলশহরত করা হয়নি। তাই অনেকেই অজানা থেকে যায় নবায়ন। আবারও অনেকেই নবায়নের জন্য নিয়ম মেনে নবায়নলনের জন্য কাগজ পত্র জমা দিলেও নবায়ন হয়নি। এতে প্রায় ২০৫৩টি কার্ডধারী কার্ড নবায়ন থেকে বাদ পরে যায়। ২০১৯ইং সালে নবায়নের জন্য আবেদন নেওয়া হলেও করোনা মহামারীর কারণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বর্ডা হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে। ফলে ফাইলবন্দি হয়ে রয়েছে ওই আবেদন পত্রগুলো।
এ ব্যাপারে প্রশাসনকে মৌখিক ভাবে জানানো হলেও কোন ফল পায়নি ভুক্তভোগীরা। ফলে পুরাতন কার্ডধারীদের পক্ষ থেকে স্বারক লিপি প্রদান করা হয়। যাতে করে পুরাতন বাদ পরা কার্ডধারীগণ তাদের কার্ডের নবায়ন পান।
আগামী তিন দিনের মধ্যে নবায়নের ব্যবস্থা না নিলে আরোও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহমুদুল হাসান বলেন ডিসি স্যারে সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply