1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনে চট্টগ্রামে শুরু নতুন অধ্যায় - দৈনিক আমার সময়

বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনে চট্টগ্রামে শুরু নতুন অধ্যায়

জাকারিয়া হোসেন, চট্টগ্রাম
    প্রকাশিত : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

হালিশহর ল্যান্ডফিল্ডে গ্যাস কূপের টেস্ট বোরিং উদ্বোধনকালে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে হালিশহর আনন্দবাজার ল্যান্ডফিল্ডে “গ্যাস কূপের টেস্ট বোরিং” উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের কার্যক্রমের সূচনা করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

উদ্বোধন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,

“জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার কোনো বিকল্প নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটিতে পরিণত করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর চিন্তা ছিল—কীভাবে শহরের ময়লা-আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তর করা যায়। হালিশহরের মানুষ বছরের পর বছর দুর্গন্ধ ও দূষণের কষ্ট ভোগ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র জানান, সিটি কর্পোরেশনের “ওয়েস্ট টু এনার্জি” প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, টেস্ট বোরিং সফল হলে ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকল্পটি চালু হবে, এবং নগরবাসী বিনামূল্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,

“প্রতিদিন চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে সিটি কর্পোরেশন সংগ্রহ করে প্রায় ২২০০ টন। বাকি বর্জ্য নালা ও খালে গিয়ে জলাবদ্ধতা ও দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য আমরা ডোর-টু-ডোর প্রকল্পের মাধ্যমে শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে চাই।”

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান,

“আপনারা দয়া করে বর্জ্য নালা বা খালে ফেলবেন না। একটু সচেতনতা আমাদের শহরকে করবে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম বায়োগ্যাস প্রজেক্ট, যা চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও টেকসই শহরে রূপান্তরিত করবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিক সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব এম এ আজিজ, হানিফ সওদাগর, বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান সি ডব্লিউ পার্ক, পরিচালক মেজর নাসিম উদ্দিন, প্রকৌশলী তানিম, প্রকল্প ইনচার্জ অ্যাডভোকেট তারান্নুম বিনতা নাসিম, সাবেক কাউন্সিলর হাসান মুরাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com