বরগুনার রাজনৈতিক ঘরে অচলাবস্থা:
আড়াই বছর ধরে বরগুনা জেলা বিএনপির কার্যক্রমে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় পদক্ষেপে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত হলেও নতুন কোনো কমিটি গঠন হয়নি, ফলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি বিরাজ করছে। নেতা-কর্মীরা দ্বিধায়—“কাদের সঙ্গে গেলে ক্ষতি হবে?”—এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তিন জোট বিভক্ত দল:
সংশ্লিষ্ট সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, জেলা বিএনপির নেতারা তিনটি গ্রুপে বিভক্ত—মোল্লা পরিবার, মনিরের অনুসারী, এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হারুনর শীদের মতো একটি সম্ভাব্য সমর্থক গোষ্ঠী।
________________________________________
নতুন আলোচনায়: কর্নেল (অব.) হারুনুর রশীদ খান
এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আলোচনায় এসেছে কর্নেল (অব.) হারুনুর রশীদ খান—যিনি সশস্ত্র জীবনের পাশাপাশি জাতিসংঘে দীর্ঘ ২২ বছরের সিনিয়র দায়িত্ব পালন করেছেন, এবং একমাত্র বাংলাদেশি যিনি জাতিসংঘের ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ড (অসীম সাহসিকতার জন্য)পেয়েছেন এছাড়া
• সেনাবাহিনীতে Sword of Honor প্রাপ্ত হন;
• ১৯৭৮–১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ADC হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতির অন্তর থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
এই অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব বহুলশ্রুতিপ্রাপ্ত একটি ভাস্কর্য হিসেবে তিনি দলীয় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
________________________________________
কি বদলে দিতে পারেন কর্নেল হারুন?
• দলের ভাঙনমুক্ত কাঠামো গঠন করতে—যেমন অনুপস্থিতি, দ্বন্দ্ব ও দুর্বল সংগঠন এর প্রতিষেধক হিসেবে তিনি পরিচিত।
• আন্তর্জাতিক কাজ ও শান্তিরক্ষায় অর্জিত অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, তাঁকে নিয়ে আসল দলের সংস্কার ও দৃষ্টান্তের প্রত্যাশা তৈরি হচ্ছে।
• স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পারিবারিক ও সাংগঠনিক পরিচিতি শক্ত ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে—দলকে পুনরুজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ করার সম্ভাবনা বহন করে।
________________________________________
বরগুনা বিএনপি বর্তমানে সাংগঠনিক অচলাবস্থা, দীর্ঘ সময়ের মধ্যে কার্যকরি নেতৃত্বের অভাব ও বিভাজনসহ সংকটে রয়েছে। এর মাঝে কর্নেল (অব.) হারুনুর রশীদ খানের রূপ সন্ধান আলো দেখাচ্ছে—যিনি শুধু অভিজ্ঞ ও সৎ ব্যক্তিত্বই নন, বরং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন। তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসায় স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন—সত্যিকারের ঐক্য ও সংগঠনের রূপায়ণের পথে তিনি হতে পারেন আশার সেতু। বিএনপির তৃনমূলের সদস্যরাও তাদের আসনে পরিচ্ছন্ন ইমেজের যোগ্য নেতার প্রতীক্ষায় রয়েছেন।
Leave a Reply