বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শের নিবেদিত কর্মী এইচ এম মেহেদী হাসান

বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শের নিবেদিত একজন কর্মী এইচ এম মেহেদী হাসান। একজন ভালো মনের মানুষ।অপরের দুঃখে, যিনি ব্যথিত হন, অন্যের হাসিতে, যিনি হাসতে স্বচ্ছন্দ করেন । মানবিক একজন মানুষ। মানুষের বিপদে আপদে তিনি এগিয়ে আসেন। প্রতিদিনের মতো আজও তিনি অসহায় গরীবের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন খাদ্য সামগ্রী নিয়ে।তাঁর তেমন কিছু না থাকলেও, নিজের সামর্থ্যের মধ্যে অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী কিংবা অন্যান্য জিনিসপত্র। তাঁর সহযোগিতার ধরণটা একটু ব্যতিক্রম, একেবারে যারা ছিন্নমূল মানুষ তাদের কাছে গিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন, কুলি, মুচি,নৌকার মাঝি,নেতর,বয়স্ক ভ্যান -রিক্সা চালক এমন সব মানুষের জন্য মেহেদী হাসান একজন নিবেদিত মানবিক মানুষ।

আবার অনেক মানুষ আছেন সরকারি কিংবা বেসরকারি কোন সাহায্য পাচ্ছেন না বা অনেকে আছেন নিম্ন মধ্যবিত্ত,যাদের ঘরে খাবার নাই, অথচ কাউকে বলতে লজ্জাবোধ করছেন, অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছেন,এই মহামারীর সময়, তাদের ঘরে সামান্য কিছু হলেও মেহেদী হাসান পৌঁছে দিচ্ছেন রাতের আধারে। করোনাভাইরাস(কোভিড-১৯) আক্রান্তের দিন হইতে তিনি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিজের ক্ষুদ্র প্রয়াসে

কখনো তিনি সচেতনতার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন,বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হা এবং আইইডিসিআরের নির্দেশনা মোতাবেক। আবার মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান বিতরণ করছেন সাধারণ মানুষের মাঝে। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা’র প্রতি তাঁর আস্হা, বিশ্বাস এবং তাঁর নির্দেশনা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যায় প্রতিদিন। তাঁর মানবিকতা তাঁকে ঘুমাতে দেয় না। প্রিয় সোনার বাংলাদেশের এই সংকটের সময়, মেহেদী হাসানের মতো যদি সবাই এগিয়ে আসে নিঃস্বার্থভাবে, তবে কোভিড-১৯ এর মহামারী কাটিয়ে আবার বাংলাদেশ মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবে। মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে কিন্তু আমাদের ভালোবাসা অসীম। আমাদের দেশ ছোট্র হতে পারে, আমাদের মন আকাশসম। তিনি আরও বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মাত্র নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দেশ স্বাধীন করেছি। ঝড় জলোচ্ছ্বাস, খরা,বন্যা প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত-ই আমরা যুদ্ধ করে টিকে আছি। আমাদের মনোবল অনেক শক্ত,আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। সুতরাং আমরা কোভিড-১৯ এর কাছে হেরে যেতে পারিনা। আমাদের আছে ভৌগোলিক অবস্থান, আছে ছয় ঋতুর মতো প্রকৃতির এক অফুরন্ত দান। তাই এই সংকট মোকাবেলায় আমরা ইনশাল্লাহ জয়ী হবো-ই। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই বৈশ্বিক সংকটের সময় বাংলাদেশের কোনো মানুষ না খেয়ে, অনাহারে, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেনা। আমিও তাই মনে করি। শুধু প্রয়োজন ভাতৃত্ববোধ,একে অপরের প্রতি সহিঞ্চুতা। জাতির এই ক্রান্তিকালে সবার সমন্নিত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরা করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবো। সাধারণ খেটে খাওয়া, সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কাছে, যদি মেহেদী হাসানের মতো একটু একটু করে হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায় অর্থাৎ প্রতিদিনের খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়, তবে-ই হোম কোয়ারিন্টাইন, লক ডাউন কার্যকর হবে এবং কোভিড-১৯ এর আক্রমণ থেকে বাংলাদেশকে বাঁচানো সম্ভব হবে। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের সাথে ব্যক্তি উদ্যোগ বাড়ানো বেশি প্রয়োজন। কারণ সরকারের একার পক্ষে এই সংকট মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়া অনেকটাই দুঃসাধ্য। মেহেদী হাসানের মতে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণের মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ অসহায় কিংবা অস্বচ্ছল। এই ৩০ ভাগ মানুষকে যদি স্বচ্ছল ধনী মানুষ, ব্যবসায়ী,ভালো বেতনের চাকুরীজীবি,জনপ্রতিনিধি সর্বোপরি সরকার সহযোগিতা করে তবে আর কেউ অন্ন কষ্টে দিনাপাত করবেনা। করোনাভাইরাস মোকাবেলা জন্য আমাদের সবাইকে ঘরে রাখতে হবে,সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। এই কারণে কিন্তু সমাজের ছিন্নমূল, অসহায়, গরীব দিনমজুর মানুষকে আগে নিরাপদে রাখতে হবে। তাদের সাথে সমাজের উঁচু শ্রেণীর মানুষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

সুতরাং ডান হাত কে কোভিড-১৯ থেকে নিরাপদে রাখতে হলে অবশ্যই বাম হাত কে নিরাপদ রাখা আবশ্যক। কারণ রোগটি মারাত্মক ছোঁয়াচে একটি রোগ। একজন সংক্রমিত হলে তার সংস্পর্শে আসার কারণে অন্যান্য জন সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। এই কারণেই মেহেদী হাসানের মতো একজন মানবিক মানুষ নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন অসহায় মানুষদের জন্য। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর এটাই মনে হয় সবচাইতে বড় ভয়ংকর সংকটের মুখে বিশ্ববাসী। মেহেদী হাসান আরো বলেন, আমি মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, বাবার কাছ থেকে শুনেছি, ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছে স্বাধীনতার জন্য, মাতৃভূমির জন্য। কতো মানুষ না খেয়ে মরেছে, কতো মানুষ অন্ন কষ্টে পেটে পাথর বেঁধে বেচে ছিল। বাবার কাছ থেকে শোনা ইতিহাসের সেই বাস্তবিক চিত্র আজ দেখা না গেলেও। খেটে খাওয়া মানুষ যে,ঘরের বাহিরে যেতে না পারার কারণে অনাহারের থাকতে পারে, অন্ন কষ্টে জীবনযাপন করতে পারে, সেটা মেহেদী হাসান উপলব্ধি করে আগেই মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ প্রয়োজন, কিছুটা হলেও মেহেদী হাসান সোনার মানুষ হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই চেষ্টার সঙ্গে আমরাও সামিল আছি, এগিয়ে যাক মেহেদী হাসানরা, জয় হোক মানবতার।