1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার্থে সরাসরি গুলির নির্দেশ দেন সিএমপি  কমিশনার- হাসিব আজিজ - দৈনিক আমার সময়

পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার্থে সরাসরি গুলির নির্দেশ দেন সিএমপি  কমিশনার- হাসিব আজিজ

জাকারিয়া হোসেন, চট্টগ্রাম
    প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, পুলিশের সামনে কেউ অস্ত্র বের করলে আত্মরক্ষার্থে বাহিনীর সদস্যদের গুলি করবে। মঙ্গলবার রাতে এক ওয়্যারলেস বার্তায় সিএমপির পুলিশ সদস্যদের এই নির্দেশনা দেন তিনি।
চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন  ঈশান মিস্ত্রির হাট ধুপপুল দুর্বৃত্তদের হামলায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ ওরফে রানা আহত হওয়ার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওয়্যারলেসে সিএমপির সব সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এই মৌখিক নির্দেশ দেন।
গত সোমবার রাতে নগরীর ঈশান মিস্ত্রি হাট এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিলে ধাওয়া দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন বন্দর থানার এসআই আবু সাঈদ রানা। তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আক্রমণের সময় এসআই রানার সঙ্গে থাকা দুই কনস্টেবল শটগান বহন করলেও তা ব্যবহার করেননি। আক্রমণের শিকার হলেও বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য অস্ত্র ব্যবহার করতে চান না। গুলিতে কারও মৃত্যু হলে পুলিশ সদস্যদের আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার সিএমপির পুলিশ সদস্যদের এই নির্দেশনা দেন।
এছাড়া গত বছরের ৫ আগস্টের আগের প্রাধিকার অনুযায়ী থাকা অস্ত্র ও তাজা বুলেট নিয়ে ডিউটিতে বের হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সিএমপির পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া এক ওয়্যারলেস বার্তায় সিএমপি কমিশনার বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে যে অস্ত্রের প্রাধিকার ছিল, ওই অস্ত্রের গোলাবারুদের প্রাধিকার অনুযায়ী থানার মোবাইল পার্টি, পেট্রোল পার্টি এবং ডিবির টিমগুলো সব র‌্যাংকের পুলিশ সদস্য অস্ত্র বহন করবে। আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া কোনো মোবাইল, পেট্রোল, ডিবি, ও চেকপোস্ট দল ডিউটিতে বের হবে না।
কমিশনার আরও বলেন, শুধু রাবার বুলেট দিয়ে কাজ হচ্ছে না। বন্দরে আমার এসআই গুরুতর আহত হয়েছেন। আরেক ইঞ্চি এদিক সেদিক হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো। বন্দর থানার সাব-ইন্সপেক্টর যে পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, ওই পরিস্থিতিতে কেউ পড়লে, কোনো অবস্থাতেই প্রজেক্টাইল লাশ ছাড়া কেউ ফিরে আসবে না।
সিএমপি কমিশনার বলেন, সোজা কথা, পুলিশের কোনো টহল পার্টির সামনে কেউ অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি করা হবে। সেটা আগ্নেয়াস্ত্র হতে পারে, সেটা ধারালো অস্ত্রও হতে পারে। অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। দণ্ডবিধির ৯৬ থেকে ১০৬ ধারা অনুযায়ী, সব পুলিশ অফিসার আত্মরক্ষার অধিকার রাখেন। আক্রমণ হওয়ার আগেই, অস্ত্র বের করার মুহূর্তেই গুলি করবে। হয় মাথায়, নয়তো বুকে, নয়তো পিঠে করবে। সরকারি গুলির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com