কক্সবাজারে দক্ষিণের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নাফ নদী সংলগ্ন খরের দ্বীপ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের মধ্যে রয়েছে- জি-৩ রাইফেল দুটি, এমএ-১ এমকে-২ একটি, এলএম-১৬ রাইফেল একটি, ম্যাগাজিন ৮টি, মোট ৫০৭ রাউন্ড গুলি (১৯৯ রাউন্ড জি-৩, ১২০ রাউন্ড এম-১, ১৮৮ রাউন্ড এলএম-১৬)।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির বিশেষ অভিযানে এসব অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন(পিএসসি)।
অস্ত্র গুলাবারুদ উদ্ধার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, ২৬ আগস্ট হ্নীলা বিওপি’র দ্বীপ এলাকায় নদী পথে বিশেষ অভিযানের সময় সন্দেহজনক কিছু লোকের উপস্থিত টের পায়।
এসময় বিজিবি সদস্যদের দেখে তারা এক রাউন্ড ফায়ার করে মায়ানমারের অভ্যন্তরে নৌকা যোগে পালিয়ে যায়।
পরে ওই এলাকা গভীর অনুসন্ধানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে লুকানো অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে-২টি G-3 রাইফেল, ১টি MA-1( Verient MK2), ১টি LM-16, ৮টি ম্যাগাজিন ও ৫০৭ রাউন্ড গুলি (১৯৯ রাউন্ড G-3, ১২০রাউন্ড MA-1 এবং ১৮৮ রাউন্ড LM-16)।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল জসীম উদ্দিন আরও বলেন, উদ্ধারকৃত অস্ত্রসমূহ সীমান্তপথে বাংলাদেশে প্রবেশকারী সন্ত্রাসী বা চোরাকারবারীদের মাধ্যমে আনা হয়ে থাকতে পারে।
এগুলো সন্ত্রাসী কার্যক্রম, নাশকতা কিংবা মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের কাজে ব্যবহারের জন্য মজুদ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অস্ত্রের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তকরণের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি টেকনাফ মডেল থানায় আলামত হিসেবে জমা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
Leave a Reply