ধামরাইয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর, থানায় অভিযোগ!

মোঃ আব্দুল আহাদ বাবু, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি-  ঢাকার ধামরাইয়ে জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত তিন জনের নামে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের যাদবপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে ।
অভিযুক্তরা হলেন রহিম বেপারীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩০), সাগর বেপারীর ছেলে আঃ হান্নান (৩৫), রুস্তম বেপারীর ছেলে ভোলা মিয়া (২৭) সহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধ এর জের ধরে বিভিন্ন সময়ে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যদেরকে ভয়ভীতি ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় যাদবপুর বি এম স্কুল এন্ড কলেজের সামনের রাস্তা দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত ফারুক, হান্নান ও ভোলা মিয়া আরিফুল ইসলামকে জোর করে ধরে যাদবপুর বি এম স্কুল এন্ড কলেজের ভিতরে নিয়ে যায়।
সেখানে নিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন জাগায় নিলাফুলা জখম করে। পরে আরিফের ডাকচিৎকারে তার ছোট ভাই এনামুল হক ও তার ভাগিনা ফরহাদ হোসেন এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদের উপরও চড়াও হয় এবং তাদেরকেও কিল ঘুষি মেরে জখম করে।
একপর্যায়ে আরিফুলের ভাগিনা ও ছোট ভাই কে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে গলাচেপে ধরে অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ভুক্তভোগীদের কাছে থাকা ১১ হাজার ৭ শত টাকা ছিনিয়ে নিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফারুক, হান্নান ও ভোলা আমিসহ আমার ছোট ভাই ও ভাগিনাকে মারধর করে জখম করে সাথে থাকা টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায়  অভিযোগ করেছি।
তিনি আরো বলেন, ফারুক হোসেনের নামে নারী কেলেঙ্কারির মামলা রয়েছে। সে যাদবপুর বি এম স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করেন। সেই প্রতিষ্ঠানের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে ফারুকের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে কোর্টে মামলাও রয়েছে। পরে সেই মেয়েকে বিয়ে করার কারণে ফারুক মামলা থেকে মুক্তি পায় এবং পূণরায় চাকরি ফিরে পায়।
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদবপুর বি এম স্কুল এন্ড কলেজে আসেন। কলেজে আসলে সব জানতে পারবেন।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ- পরিদর্শক সেলিম রেজা বলেন, মারামারির বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।