দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার– খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের খাদ্য ও
পুষ্টি নিরাপত্তার উন্নতিসহ সার্বিকভাবে দেশের অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। দেশের সব
মানুষের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টি অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সকল
পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে।
আজ জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের আহ্বানে আগামী সেপ্টেম্বর ও
অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ‘UN Food Systems Summit 2021 আয়োজনের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের
প্রথম জাতীয় পর্যায়ের সংলাপ’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো ছাড়াও ক্ষুধা
এবং দারিদ্র্যের হার কমানোর মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ
সফল হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে মা ও
শিশুদের খাদ্য এবং পুষ্টি নিরাপত্তার উন্নয়নসহ শিশুদের খর্বতা ও অপুষ্টির হার
উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। সামাজিক কর্মসূচির আওতায়
বছরে ৫ মাস ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে মাত্র ১০ টাকা দামে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে
চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ক্ষুধামুক্ত, নিরাপদ, আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত-সমৃদ্ধ
বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অন্যান্য খাতের ন্যায় দেশের খাদ্য ব্যবস্থাপনাকেও আরো
বাস্তবমুখী এবং শক্তিশালী করা হয়েছে। ‘জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নীতি, ২০২০’ প্রণয়ন করা
হয়েছে। দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার
লক্ষ্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে সরকার এবং এই অগ্রগতির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে ২০৪১
সালের মধ্যে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর সারিতে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে
সরকার বদ্ধপরিকর। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ।