দুবাই থেকে ইলেকট্রনিক পণ্য ঘোষণায় এলো গুঁড়ো দুধ শুল্ক ফাঁখি ২৮ লক্ষ টাকা

জাহাঙ্গীর আলম,বিশেষ প্রতিনিধি; ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃক ২ টি কাভার্ড ভ্যানে বোঝাই করা প্রায় সাড়ে আট মেট্রিক টন পণ্য আটক।

আমদানিকারক প্রাইম ট্রেডিং, ঠিকানা: ১২৪/এ, ড. খুদরত-ই-খুদা রোড (এলিফ্যান্ট রোড), নিউ মার্কেট থানা, ঢাকা কর্তৃক সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই হতে ইলেকট্রনিক পণ্য ঘোষণায় ২ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি করেন।

দেশের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। নিয়ম অনুযায়ী পণ্যসমূহ কন্টেইনার থেকে নামিয়ে বন্দরের ১২ নং শেডে সংরক্ষণ করা হয়। পণ্য খালাসের লক্ষ্যে আমদানিকারক কর্তৃক সিএন্ডএফ এজেন্ট কুলগাঁও ট্রেডার্স লিমিটেড , ঠিকানা: রাজ বাণিজ্য বিতান, ১১০২, ডিটি রোড, চট্টগ্রামকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তাঁরা কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি নং-সি-১২৪৯০০৮; গত-১০ সেপ্টেম্বর দাখিল করেন। কাস্টমস কর্মকর্তা পণ্য পরীক্ষা করতে গেলে পণ্য খালাসে নিয়োজিত আমদানিকারকের মনোনীত সিএন্ডএফ প্রতিনিধি শেডে সংরক্ষিত অপর একটি ইলেকট্রনিক পণ্য পরীক্ষা করান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক পণ্যের বিপরীতে আড়াই লক্ষ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে ২ টি কাভার্ড ভ্যানে পণ্য বোঝাই করে খালাসের অপচেষ্টা করা হলে কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন এন্ড রিসার্চ টিম (এআইআর) কর্তৃক গাড়ীগুলো আটক করা হয়। পরবর্তীতে এআইআর কর্তৃক পণ্য পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিবর্তে প্রায় সাড়ে আট মেট্রিক টন গুঁড়ো দুধ পাওয়া যায় যার আনুমানিক শুল্ক-কর আটাশ লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য যে, গুঁড়ো দুধ আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি অনুযায়ী মোড়কের গায়ে ‘মায়ের দুধের বিকল্প নেই’ উল্লেখ থাকতে হবে এবং বিএসটিআই এর মাধ্যমে খাবার উপযোগী কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

এক্ষেত্রে দুটি শর্তই পূরণ করা হয়নি। অর্থাৎ কাস্টম হাউস কর্তৃক পণ্য খালাসের অপচেষ্টা রোধ করা না গেলে পণ্যগুলো মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিনা তা অজানা থেকে যেত। শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তাছাড়া জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে কিনা এবং কোন কোন সংস্থার লোক জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।