দুঃখে ব্যথিত সজল নিরাপত্তারক্ষীদের কারণে

একটি খণ্ড নাটকে অভিনেতা আবদুন নূর সজলকে দেখা যাবে নিরাপত্তারক্ষীদের প্রধান হিসেবে। চরিত্রটিতে অভিনয়ের প্রস্তুতি নিতে এই পেশাজীবী মানুষের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। খুব কাছ থেকে তাঁদের দুঃখ ও কষ্ট দেখেছেন এই অভিনেতা।

এর আগেও সজল এমন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে এবার চরিত্রটি প্রস্তুত করতে বেশ সময় দিয়েছেন। নিরাপত্তারক্ষীদের জীবনযাপন খুব কাছ থেকে দেখেছেন। অনুভব করেছেন তাঁদের কষ্টগুলো। সজল জানান, এই পেশার মানুষ তুলনামূলক বেতন কম পান। তাঁদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। এমনকি অনেকে ঈদে বাড়ি যেতে পারেন না। আবার কোনো বিপদ হলে তাঁদেরই দায়ী করা হয়। সজল বলেন, ‘আমাদের চারপাশে যে সিকিউরিটি গার্ডদের দেখি, তাঁদের গল্প পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে। সারা দিন তাঁদের সতর্ক থাকতে হয়; কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে। মানসিকভাবে তাঁরা সব সময় তটস্থ থাকেন। আবার কাজের এ প্রভাব পরিবারের ওপরেও পড়ে।’নাটকের গল্পে দেখা যাবে, একজন নিরাপত্তারক্ষী নতুন বিয়ে করেছেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে বেশ ভালোবাসেন। কিন্তু সংসারে ঠিকমতো সময় দিতে পারেন না। অফিসের চাপে বাসাতেও মানসিকভাবে তটস্থ থাকেন। এ নিয়ে বিরক্ত স্ত্রী। নাটকে সজলের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শারমীন জোহা শশী। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পরে তাঁরা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। সজল বলেন, ‘আমি বরাবরই ভালো

অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করি। সে জায়গা থেকে আমি ভাগ্যবান। তা ছাড়া শশীকে নিয়ে বলার কিছু নেই। সে একজন ভীষণ প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী।’

সজল মনে করেন, এখন অনেক মেধাবী অভিনয়শিল্পীকে কাজে লাগানো হচ্ছে না। প্রযোজক ও নির্মাতারা চাইলে এই গুণী অভিনয়শিল্পীদের নিয়মিত অভিনয়ের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারেন। তাতে নাটক আরও সমৃদ্ধ হতো। এই অভিনেতা বলেন, ‘ভালো সহশিল্পীর সঙ্গে অভিনয় করলে নিজেদের মধ্যে কাজ নিয়ে আলোচনা করা যায়। তখন ভালো অভিনয়ের আগ্রহ জন্মে। কাজটা তখন আরও বেশি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে করা যায়।

‘প্রহরী অথবা প্রেমিক’ নামের নাটকটির সম্প্রতি দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন শাহেদ সেতু। শিগগিরই একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হবে