দাগনভূঞাবাসীর জন্য সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ইউএনও কর্তৃক ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য জারীকৃত শর্ত

মাসুদ রানা:কোভিড-১৯ সংক্রামনের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে যাওয়ায় দাগনভূইয়া উপজেলা ও সকল ইউনিয়নে  করোনাসংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় খোলা ময়দানে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের জামাতের আয়োজন করা যাবে না। মসজিদে জামাতআয়োজন করা যাবে নির্ধারিত শর্ত ও সামাজিক দূরত্ব মেনে।উপজেলা প্রসাশনের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেএসব দিক নির্দেশনা দেন দাগনভূঁইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব,মোহাম্মদ রবিউল হাসান।

দেশে করোনার সংক্রমণরোধে প্রাথমিকভাবে মসজিদে নামাজ আদায় নিরুৎসাহিত করা হলেও, পরিস্থিতি বিবেচনায় শর্ত দিয়েমসজিদে জামাতের অনুমতি দেয়া হয়। তবে সামাজিক সংক্রমণের শঙ্কায় এবার খোলা ময়দানে ঈদের নামাজের জামাতআয়োজনে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

তিনি জানান জামাত হবে মসজিদে। এক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে সামাজিক দূরত্ব। খতিব, ইমাম ও মসজিদ পরিচালনা কমিটিকেদেয়া ১৩ দফা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়,বিভিন্ন শহর থেকে আগত ও শিশু সহ অসুস্থরা পারবেন না জামাতে অংশ নিতে।বিছানো যাবে না কার্পেট, ওযুর স্থানে রাখতে হবে সাবান, স্যানিটাইজার।

দাগনভূইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব,মোহাম্মদ রবিউল হাসানের  কিছু দিক নির্দেশনা নিম্মে দাগনভূইয়া বাসীর জন্যতুলে ধরা হলো।

প্রিয় দাগনভূঁইয়াবাসী করোনা প্রতিরোধে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারের নিম্নলিখিত আদেশসমূহযথাযথভাবে পালন করবেন আশা করি।

১। কোনভাবেই ঈদ-গা/খোলা জায়গায় ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে না। তার পরিবর্তে নিকটবর্তী মসজিদে নামাজ আদায়করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক জামায়াত করা যেতে পারে।

২। মসজিদে কার্পেট/কাপড় বিছানো যাবে না, মুসল্লিরা চাইলে নিজ জায়নামাজ নিয়ে নামাজ পড়তে পারবেন।

৩। ঈদের নামাজের জামায়াতের আগে ও পরে অবশ্যই জীবানুনাশক দিয়ে মসজিদ পরিস্কার-পরিছন্ন করতে হবে।

৪। প্রত্যেক মুসল্লি নিজ বাড়ী থেকে ওজু করে আসবেন। মসজিদ কর্তৃপক্ষ মসজিদ প্রবেশ পথে এবং ওজু খানায় হ্যান্ড ওয়াশ/স্যানিটাইজার , সাবান-পানির ব্যবস্থা রাখবে।

৫। মাস্ক ছাড়া কোন মুসল্লি জামায়াত/ মসজিদ এ প্রবেশ করতে পারবে না, মসজিদ কর্তৃপক্ষ তা নিশ্চিত করবে।

৬। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করে নামাজ আদায় করতে হবে এবং প্রত্যেক কাতারে মুসল্লিগণকে সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ-বিধি অনুসরণ করে দাড়াতে হবে।

৭। শারীরিকভাবে অসুস্থ, বয়োবৃদ্ধ, হাচি-কাশি, জ্বর-সর্দি, আইসোলেশন/কোয়ারেন্টাইনে থাকা ও বিভিন্ন শহর থেকে আগতব্যক্তিরা ঈদের জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

৮। শিশু, বয়সবিদ্ধ,অসুস্থ ব্যাক্তি/অসুস্থদের সেবাদানকারী ব্যক্তি ও কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তি ঈদের জামায়াতেঅংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

৯। ঈদের জামায়াত শেষে পরস্পর কোলাকুলি/হাত মিলানো পরিহার করতে হবে।

১০। করোনা প্রতিরোধে কালক্ষেপন না করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঈদের জামায়াত শেষ করতে হবে।

১১। খতিব,ইমাম ও মসজিদ কমিটি উল্লিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিত করবেন। সরকারি এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরআইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।