জলাবদ্ধতায় নাজেহাল নগরজীবন; দ্বায় আমাদের ও আছে

নাজমিন সুলতানা তুলিঃ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলে যখন ক্লান্ত তখন ই হানা দিচ্ছে বন্যা।। দেশের বেশ কয়েকটি জেলা বন্যার কবলে। দিশেহারা হয়ে পরেছে জীবনযাত্রা । প্রধান নদীগুলোর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে। ঢাকা শহরে বন্যার পানি নয় দূর্ভোগ জলাবদ্ধতায় ।। টানা কয়েকদিনের বর্ষনে । এ দৃশ্য অন্যান্য সময় ও দেখা যায়। এর পেছনের কারণ হলো অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা নগরায়ন। রাস্তার খুঁড়াখুঁড়ি , এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা ড্রেনেজ সিষ্টেম ।। আর এই জলাবদ্ধতার দ্বায় স্বীকার না করলেও জনগণের ও আছে।। আমরা যত্রতত্র ময়লা এবং অপচনশীল দ্রব্য -পলিথিন এবং প্লাস্টিক জাতীয় সামগ্রী ফেলে ড্রেন এবং সুয়ারেজ লাইন গুলো বন্ধ করে ফেলছি। অদূর ভবিষ্যতে এর খেসারত আমাদের ই দিতে হবে । ঢাকা সিটির বেশ কয়েকটি পয়েন্ট এ ঘুরে আমার অন্তত আজ তাই মনে হলো। আমরা জাতি হিসেবে এতো উদাসীন কেন ! শুধু অন্য কে দোষারোপ করতে পছন্দ করি। নিজে কি করছি ! আশেপাশের সবাই কে একটু সচেতন হতে ই হবে। বিশেষ করে দোকানদাররা যারা কোমল পানীয় বিক্রি করেন।বোতল ফেরত নেয়ার সিষ্টেম করুন। ময়লা বহন কারী শ্রমিকদের ও আরেকটু সচেতন হতে হবে। এবং সকল ময়লা পুড়িয়ে ফেলার একটা স্থান রাখতে হবে তা লোকালয় থেকে একটু দূরে হলে ভালো হয় । এবং ড্রেন গুলোর পরিষ্কার এবং অনতিবিলম্বে পানি নেমে যাওয়ার পদক্ষেপ নিতে হবে। এবং ড্রেনের মুখ গুলো তে নেট থাকলে তাহলে আর পলিথিন কিংবা প্লাষ্টিক যেয়ে আটকে রাখবে না।। প্রতিদিন ময়লা সরিয়ে নিতে ই হবে। আর নয়তো এই ময়লা পানিতে ই প্রতিবছর সাঁতরে জীবনে অভ্যস্ত হতে হবে।।