1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
চাঁদাবাজি মামলায় সুলতানকে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত - দৈনিক আমার সময়

চাঁদাবাজি মামলায় সুলতানকে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত

স্টাফ রিপোর্টার
    প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

চাঁদাবাজি মামলায় ভেজাইল্যা সুলতানকে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত
বহু অপকর্মের হোতা, এক ডজন মামলার আসামী জেল হাজতে থাকা ভেজাইল্যা সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে ৩০ জুলাই নারায়ণগঞ্জ আদালতে ফতুল্লা থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার এফআইআর নং-৩৯ ও জিআর নং-৩২৮ এর চাঁদাবাজির মামলায় ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িত অজ্ঞাত নামা আসামীদের সঠিক নাম ঠিকানা সহ গ্রেফতার করার যুক্তি উপস্থাপন করেন এসআই আশরাফুল সিকদার। এছাড়াও তিনি রিমান্ডের আবেদনে লিখিত ভাবে জানান আসামী সুলতান মাহমুদ কোন কোন এলাকায় কখন কোথায় এবং কাহারো নিকট হইতে চাঁদাদাবি করিয়াছিল কিনা তাহা উদঘাটনসহ আরো উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য প্রমাণের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এছাড়াও মামলার বাদী নারী উদ্যোক্তা মম’র পক্ষে এডভোকেট সেলিনা বেগম রিমান্ডে নেওয়ার যুক্তি উপস্থাপন করলে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক আসামী সুলতান মাহমুদের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় সুলতান মাহমুদের রয়েছে একটি প্রতারক ও চাঁদাবাজ চক্র। এই চক্রের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষ রয়েছে। তাদের মধ্যে সোনারগাঁয়ের ময়নাল, বন্দরের প্রতারক নারী ইভা ও শান্তা আক্তার, ফতুল্লার রুহুল আমিন রাজু, অলিউল্লাহ জনিসহ জান্নাতুল মাওয়া মাহিমুন, রুজিনা মাহমুদ, আলমগীর, কামাল প্রধান, জান্নাতুল ফেরদৌস বাঁধন, মিঠু আহম্মেদ সহ আরো কয়েকজন চাঁদাবাজ চক্র নারায়ণগঞ্জ শহরে চষে বেড়াচ্ছে আর মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছে। তারা কখনো সাংবাদিক আবার কখনো ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের ধোঁকা দিয়ে চাঁদাবাজি করে হয়রানী করছে। সোনারগাঁয়ের বৈদ্যের বাজার হাড়িয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়া সরকারের কুলাঙ্গার পুত্র সুলতান মাহমুদ নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলায় বাসা ভাড়া করে থাকছে এবং শহরের মধ্যে কয়েকটি অফিশিয়াল ঠিকানা ব্যবহার করে নিজেকে বিভিন্ন পত্র পত্রিকার বড় সাংবাদিক ও সম্পাদক সহ সংগঠকের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে ফাঁদে ফেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে মান সম্মান ক্ষুন্ন করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা, মারামারি, নাশকতাসহ প্রায় ১৩টি ফৌজদারী মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও নারী কেলেঙ্কারিতো রয়েছেই। সুলতানের একটি অর্ধ উলঙ্গ ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি গণধোলাইয়েরও শিকার হন এই ভেজাইল্যা সুলতান মাহমুদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com