ঘুমাতে যাওয়ার আগে লম্বা চুল ধোয়ার অপকারিতা

দিনে সময় হচ্ছে না বলে রাতে চুল ধুচ্ছেন। তবে সেটাতে হতে পারে নানান সমস্যা। প্রতিটি কর্মজীবী মানুষের জন্যই সকালটা প্রচÐ দৌড়ঝাপের। রাস্তার তীব্র যানজট সামলাতে প্রতিটি মানুষকেই অফিসের সময়ের এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে ঘর থেকে বেরোতে হয়। আর ঘুম থেকে উঠে নাস্তার ঝক্কি, টুকটাক ঘর গোছানো, নিজে তৈরি হওয়া ইত্যাদি নানা কাজের মাঝে লম্বা চুল পরিষ্কার করাটা অত্যন্ত ঝামেলার।
এই ঝামেলা কর্মজীবী নারীদের জন্যই বেশি প্রযোজ্য। তাই উপায় হল রাতে চুল ধোয়া, তবে এই অভ্যাসেরও আছে ক্ষতিকর দিক।
রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে রাতে লম্বা চুল পরিষ্কার করার সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানানো হল।
ভেজা চুলে ঘুমানো: রাস্তার যানযটের কারণে বাসায় ফিরতেও বেশ দেরি হয়। আবার পরেরদিন অফিস সময়মতো পৌঁছাতে হলে ঘুমাতেও হবে জলদি। ফলে রাতে চুল পরিষ্কার করলে তা শুকানোর পর্যাপ্ত সময় পাওয়া কঠিন। আর ভেজা চুল নিয়ে ঘুমাতে গেলে তা থেকে সর্দিতে আক্রান্ত না হলেও দেখা দিতে পারে চুলের জট। এর কারণ হল পরিষ্কারের পর চুলের গোড়া দীর্ঘসময় খোলা থাকে। আর একই কারণে চুল ভেজা অবস্থায় চিরুনি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ তাতে চুল পড়ে যাওয়া ঝুঁকি বেড়ে যায়।
ছত্রাকের সংক্রমণ বৃদ্ধি: রাতে ঘুমানোর সময় মাথার ত্বক ভেজা থাকলে তাতে ছত্রাক, খুশকি ইত্যাদির সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া আশঙ্কা বাড়ে। সেই সঙ্গে চুল পড়ে যাওয়া এবং মাথার ত্বকের বিভিন্ন প্রদাহ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। কারণ একটাই, সিক্ত পরিবেশে এদের সংক্রমন ক্ষমতা বাড়ে।
এলোমেলো রুক্ষ চুল: সন্ধ্যায় কিংবা রাতে চুল পরিষ্কার করলে তার সৌন্দর্য বাড়ে না। বরং তাতে চুল আরও রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়।মোদ্দা কথা হল
রাতেই যদি চুল ভেজানোর প্রয়োজন পড়ে তবে লক্ষ রাখতে হবে কিছু বিষয়।
প্রথমত ভেজা চুল নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া যাবে না। চুলে যাতে জট না পাঁকায় সেজন্য সামান্য কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করতে সিল্ক কাপড়ের বালিশের কভার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ছবি: রয়টার্স।