গাজীপুরে তালাকের পর স্ত্রী’র প্রতারণার শিকার স্বামী ! সাংবাদিক সংগঠনে স্বামীর তথ্যবহুল বক্তব্য প্রদান !!

মাজহারুল ইসলাম রবিন,গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় শান্তনা ফরাজী নামে এক নারী স্বামী কাজী রাজ্জাককে ডিভোর্স দিয়ে পুর্নরায় প্রতারণার মাধ্যমে স্বামীকে হয়রানী করার অভিযোগ তুলেছে স্বামী সাংবাদিক সংগঠনে। বিয়ের দশ বছর পর স্ত্রী শান্তনা আট মাস আগে ডিভোর্স দিয়ে পুলিশের সহায়তায় বাসার মালামাল নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। কাজী রাজ্জাক গাজীপুর মহানগরীর ১২নং ওয়ার্ডের কোনাবাড়ীর বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার জমশের কাজীর ছেলে। তাদের সাত বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে।
স্বামীর দেওয়া তথ্য ও জিডি সুত্রে জানান, দশ বছর আগে কোনাবাড়ি প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে বাড়া থেকে শান্তনা ফরাজী স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকুরী করার সময় কাজী রাজ্জাকের সাথে পরিচয় সুত্রে বিয়ে করেন। মোসাঃ শান্তনা ওরফে শান্তনা ফরাজী ওরফে শান্তনা কাজী (৩২) গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার খুর্দ্দকোমরপুর গ্রামের মৃত জাহিদুল ইসলামের মেয়ে।
কাজী রাজ্জাক গাজীপুর সিটি প্রেসক্লাবে লাইভ বক্তব্যে আরও বলেন, আমার ঔরুসজাত ছেলে সন্তান কাজী শাহাদাত(০৭) এর সুখের জন্য আমি শান্তনার সকল চাহিদা সাধ্য অনুযায়ী পূূূূরণ করার চেষ্টা করেছি। তার পরও বিগত আট মাস আগে আমার ছেলে সন্তান সহ সাবাইকে নিয়ে হটাৎ করে স্বেচ্ছায় আমাকে তালাক দিয়ে চলে যায়। আজ আট মাস হলো আমি আমার সন্তানের সাথে দেখা করতে পারিনি।
গত মাসে শান্তনা আমার সাথে চান্দনা চৌরাস্তায় দেখা করে,এসময় শান্তনা আমাকে পূনরায় সংসার করার প্রস্তাব দেয়। আমার আর কোন সন্তান নেই বিদায় তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ফ্লাইটে বিমান যোগে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাই। সেখানে গিয়ে শান্তনা আবার তার মতামত পরির্বতন করে। আমার সাথে সংসার করতে পারবে না বলে জানায়। সংসার করতে হলে তার নামে জমি বাড়ি লিখে দিতে হবে। আমি রাজি না হওয়াতে রেগে উত্তেজিত হয়ে বলে, আমার বর্তমান অবস্থান সর্ম্পকে তোমার ধারনা নেই, আমি এখন সাংবাদিক আমি চাইলে তোমাকে ধ্বংস করে দিতে পারি। পুলিশসহ আরও বড় বড় স্থানে আমার চলাচল। তোমার ছেলে আমার পুঁজি। এই পুঁজি দিয়ে আমি তোমার সাথে খেলবো। আমি এক বছরে ষাট লাখ টাকা রোজগার করবো তারপর সংসার করার কথা ভাববো। আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রধান করে ভয় দেখানোর কারণে নিরাপত্তা চেয়ে কোনাবাড়ি মেট্রো থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি। যাহার নং-৫৫৫।
ভূক্তভোগী কাজী রাজ্জাক প্রশ্ন রাখেন,আপনারা তো সাংবাদিক, আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন ফাইব পাশ করে কি সাংবাদিকতা করা যায় কি ? আমার জানা মতে শান্তনা অষ্টম শ্রেনী পাশও করেনি। সে কিভাবে সাংবাদিকতা করে। আর এই পেশকে পুজি করে কিভাবে ভয় দেখায়।
প্রতারিত স্বামী কাজী রাজ্জাকের তথ্যমতে, শান্তনা ফরাজী চ্যানেল এইচ টিভির বাংলা এর বিশেষ প্রতিনিধি, যাহা তিনি বিজিটিং কার্ডে পরিচয় বহন করেন, এবিষয়ে চ্যানেলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,তাদের শান্তনা ফরাজী নামের প্রতিনিধি আছে। তবে তার শিক্ষাগত বিষয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, অষ্টম শ্রেণী পাশ শান্তনা ফরাজী এটা তিনি জানেন।
কাজী রাজ্জাকের তথ্য সম্পর্কে মোসাঃ শান্তনা ওরফে শান্তনা ফরাজী ওরফে শান্তনা কাজী (৩২) কে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দৈনিক আমার সময় গাজীপুর প্রতিনিধিকে বলেন,আপনাকে কে সাহস দিয়েছে,আমাকে ফোন দেওয়ার,আপনার সাথে আমার কি শত্রæতা আছে,আপনি কেন নিউজ করবেন,এই জগতে সাংবাদিকরা বড় কুলাংগার করে,আপনি আমার সামনে আসেন,সরাসরি কথা বলি,কখন,কোথায় আসবো জানতে চাইলে, বোর্ড বাজার জাহাঙ্গীর ভাইয়ের অফিসে কথা বলেন তিনি। সময় জানতে চাইলে তিনি ফোন দেবে বলে ক্ষেপে উত্তেজিত হয়ে ফোন কেটে দেন। শান্তনা ফরাজী একাধীক নামে পরিচয়ের পাশাপাশি আইপি টিভি চ্যানেল এইচ টিভি বাংলার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে। জিডি নং-মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ি থানা-৫৫৫ তাং-১৪/১০/২০২০ ইং